![]() |
| সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পরিবারের কম বয়সীরা (২৮.০৫.২০২৬) |
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার জেহালা ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে মোল্লাবাড়ির অবস্থান। এই গ্রামের বাড়িতে ঈদ-পার্বনে আমরা নাড়ির টানে গভীর ভালোবাসায় ছুটে আসি। পিতা মকবুল মোল্লা ও মা সাকিমা বেগম আমাদের পরম যত্নে মানুষ করেছেন। তাদের সঙ্গে এবারও ঈদ করতে পেরে আমরা খুশি। আমরা ছয়-ভাই এক সঙ্গে মিলেছি ঈদের আনন্দে।
![]() |
ঈদগাহে নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় রাতুল, কাব্য সজল ও সম্রাট ওরফে নীরব (২৮.০৫.২০২৬) |
আমরা ছয় ভাই এক বোন ছিলাম। আমাদের একমাত্র বোন নাহারন খাতুন পানিতে ডুবে মারা যায়। সে ছিল চার ভাইয়ের ছোট। ১৯৮৪ সালে চুয়াডাঙ্গা জেলায় বন্যা দেখা দেয়। ওই বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর বাড়ির পার্শ্ববর্তী মরাগাঙে গোসল করতে গিয়ে সাঁতার না জানার কারণে পানিতে ডুবে নাহারন মারা যায়। আমরা ছয় ভাইয়ের মধ্যে তিন ভাই গ্রামের বাড়িতে থাকে। আর আমিসহ অন্য দুই বাইরে থাকি। আমি চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরে আর অন্য দুই জেলার বাইরে। ২০২৬ সালের ২৮ মে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়।
![]() |
| কৃষ্ণপুর গ্রামের ঈদগাহ মাঠে আফরোজ গালিব কাব্য (২৮.০৫.২০২৬) |
ওইদিন বিকালে গ্রামের বাড়ির একটা ছাদে ছোট্ট পরিসরে বিনোদন অনুষ্ঠানের আয়েআজন করি। ওই অনুষ্ঠানে আমাদের ছয় ভাইয়ের ছেলে-মেয়েরা অংশ নেয়। এর মধ্যে আমরার ছেলে আফরোজ গালিব কাব রয়েছে।
![]() |
| ছবিতে সাজিদ, মকবুল মোল্লা, সামিহা ও সৈয়দ আলী মোল্লা (২৮.০৫.২০২৬) |
পরিবারের অন্য সদস্যদের মধ্যে আছে সাইফুল ইসলাম ওরেফ মেহের আলী মোল্লা, ফারজানা রোজি, সামিহা, সাজিদ, নুসরাত, রাইয়ান,জান্নাতি ও মাহিন।
![]() |
| বাড়ির আঙিনায় দাঁড়িয় সামিহা (২৮.০৫.২০২৬) |
দিনভর নানা সময় ছবি তোলা হয়। কয়েকটি ছবি এখানে পোস্ট দেয়া হলো। আহাদ আলী মোল্লা, ২৮.০৫,২০২৬, চুয়াডাঙ্গা।






