স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৪

হারিয়ে যাওয়া

সেদিন ছিলো চোদ্দ তারিখ
ভুলতে পারি নাকি,
দেশের বিজয় আসতে কেবল
মাত্র দু দিন বাকি_
কিন্তু সেদিন কী ঘটে যায়
সবাই জানো তা কি?

পশ্চিমাদের সহযোগী
বদর রাজাকারে_
বুদ্ধিজীবী লোকগুলোকে
খুঁজে খুঁজে মারে;
দু দিন বাদেই বিজয়
দেশটাজুড়ে কী জয়
খুঁজে কি আর হদিস মেলে
হারানো যায় যারে?
     -:o:-

দালাল

আমার লেবাছ ঠিকই ছিলো
পাক শাসনের আমলে,
একটা দিনেও ভাত খাইনি
পরের দু কান না মলে।

দিনের পোশাক পরহেজগার
রাত হলে ভোল পাল্টিয়ে,
লোকের বাড়ি লুট করেছি
কেমন মজার তালটি এ।

ওপর পানে ফিটফাট খুব
তলায় ছিলাম ঘাতক,
খুন চড়িয়ে মাথায় আমার
চিন্তা ছিলো রাত হোক।

আমার ঠেলায় কতো যে খান
লেজ গুটিয়ে পালালো?
কিন্ত আমি ছিলাম পাকা
একাত্তরের দালালও।
     -:o:-

ভিত কতো মজবুত

একাত্তরে ছোট্ট ছিলাম
ছিলো জুজুর ভয়,
সব জুজুকে হঁটিয়ে তাও
দেশ করেছি জয়।

সেই বিজয়ের নিশান এখন
সবুজ ধানে
চাষির গানে
নদীর তানে
ঝিরঝিরিয়ে বয়।

সেই পতাকা কাড়তে এলে
কুমতলব গাঁড়তে এলে
সবাই মিলে
লাত্থি কিলে
ছাড়াবো গার ভূত;
বুঝবি তখন এই বাঙালির
ভিত কতো বজবুত।
     -:o:-

শুক্রবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৪

পশ্চিমারা

পশ্চিমাদের অত্যাচারে
হারিয়ে যাবে আশা,
হারিয়ে যাবে ভাইরা আমার
মায়ের ভালোবাসা।

হারিয়ে যাবে ছবির মতো
আবেশভরা কবির মতো
আমার দেশের গান;
হারিয়ে যাবে ভোর বিহানের
পাখির কলতান?

আসছে ওরা তেড়ে;
সোনার এ দেশ মায়ের আদর
সব নিতে চায় কেড়ে।

আর থাকা যায় ঘরে?
বাঙালিদের লাঠি খেয়ে
কিল ঘুষি ও চাটি খেয়ে
পশ্চিমারা পালিয়ে গেলো
দীর্ঘ নমাস পরে।
     -:o:-

শনিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০১৩

বদর রাজাকার

ভাই কেড়েছে বোন কেড়েছে

খুশিভরা মন কেড়েছে

 কোন ফাঁকে যে তা নিয়েছে

যেটুক ছিলো মার,

কেড়েকুড়ে সব নিয়েছে

বদর রাজাকার

 

ভিটে মাটি বসত বাড়ি

ঘর সংসার চুলো হাড়ি

বাপের আদর দাদির সোহাগ

নেই তো কিছু আর;

কেড়েকুড়ে সব নিয়েছে

বদর রাজাকার

 

মাঠের জিনিস ঘাটের জিনিস

শহর বাজার হাটের জিনিস

করলো পগার পার;

বুনো শকুন হায়না ওরা

বদর রাজাকার

২৯.৯.২০১২ খ্রি.

বনানীবাড়ি, কোর্টপাড়া, চুয়াডাঙ্গা

পালিয়ে যাবে

স্বাধীনতার ডাক পড়েছে

কে দিয়েছে ডাক,

যুদ্ধে যাওয়ার সময় হলো

কোমর বেঁধে রাখ

 

ডাক দিয়েছে মুজিব নামের

টুঙ্গিপাড়ার ছেলে,

লড়াই হবে ঝাপিয়ে পড়

ঘর সংসার ফেলে

 

এমন কিসের গরব করো

হাড়িতে নেই চাল,

ছেলে মেয়ে মা বউ বোন

সব দেখি কঙ্কাল

 

বাঁচার মতো বাঁচতে হলে

পাক হানাদার তাড়া,

যুদ্ধ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে

শক্ত হয়ে দাঁড়া

 

হবেই হবে কাজ;

পালিয়ে যাবে পাক শোসনের

সকল ফাঁকিবাজ

১৭.৯.২০১২ খ্রি.

বনানীবাড়ি, কোর্টপাড়া, চুয়াডাঙ্গা

দস্যি তাড়ো

দস্যি তাড়ো দস্যি তাড়ো

পাক হানাদার দস্যি,

খেয়ে গেল নিয়ে গেল

এ দেশ থেকে শস্যি

 

ভাবের সাথে আছে ওরা

নাকে দিয়ে নস্যি,

আগুন জ্বালো গুষ্টি ধরে

যাক বেটারা ভস্মি

১৭.৯.২০১২ খ্রি.

বনানীবাড়ি, কোর্টপাড়া, চুয়াডাঙ্গা

জানিস মাগো



জানিস মাগো এই পতাকার জন্য আমি লড়েছিলাম
না খেয়ে আর না ঘুমিয়ে মাঠে ঘাটে পড়ে ছিলাম
অস্ত্র হাতে ভয় মাড়িয়ে কত যে পথ হেঁটেছিলাম
গভীর রাতে নদীর জলে একাই সাঁতার কেটেছিলাম।

বীর বাঙালির রক্ত বুকে কবে কখন হেরেছিলাম
কামান দেগে খান সেনা আর আলবদরও মেরেছিলাম
দেশটা স্বাধীন করব বলে তোকে কথা দিয়েছিলাম
সেই থেকে মা জীবনটাকে হাতের মুঠোয় নিয়েছিলাম।

দেশ স্বাধীনের অঙ্গীকারে দৃঢ় শপথ করেছিলাম
ভয় করিনি যুদ্ধটাকে দীর্ঘ মাস ধরে ছিলাম।
কী ভয়ানক পরিস্থিতি জীবন-মরণ তীরে ছিলাম
তোর দোয়াতে বিজয় নিয়ে বীরের বেশে ফিরেছিলাম

নাওয়া খাওয়া কোলের শিশু আর পরিবার ভুলে ছিলাম
ষোলই ডিসেম্বরে এসে বিজয় নিশান তুলেছিলাম।
আশীর্বাদের ছোঁয়া নিয়ে মা মা বলে ডেকেছিলাম
স্বাধীন দেশের মাটি নিয়ে সারা দেহে মেখেছিলাম।

১৬.৯.২০১২ খ্রি.

বনানীবাড়ি, কোর্টপাড়া, চুয়াডাঙ্গা

সমানই এ অবদান

বাঙালি নারীর হাতে উঠে এলো

ঝাঁজালো মেশিন গান,

পুরুষের শোরে কেঁপে কেঁপে ওঠে

পূবালী পাকিস্তান

 

শপথের ধ্বনি নারী-পুরুষের

যায় যাবে চলে জান,

ভেবে দেখো এই বাঙালি জাতির

কিসে হবে কল্যাণ

 

বীর বাহাদুর নারী ও পুরুষ

রক্ত করেছে দান,

দিয়েছে রাঙিয়ে শ্যামলিমা এই

যুদ্ধের ময়দান

 

সমানে সমানে নারী ও পুরুষ

সকলেরই এক মান,

মিলিজুলি দেশ স্বাধীন করেছে

সমানই এ অবদান

১৬.৯.২০১২ খ্রি.

বনানীবাড়ি, কোর্টপাড়া, চুয়াডাঙ্গা

ইতিহাসে

রাষ্ট্রভাষা উর্দু হবে বলে দিলেন জিন্না

বাংলাকে তাই কথায় কথায় করেন উনি ঘিন্না

বাঙালিদের রক্ত গরম

ক্ষেপলে তারা ভীষণ চরম

বললো রেগে মনে রেখো এটাইতো শেষ দিন না

 

ভাষার লড়াই যুদ্ধে গড়ায় ভাবিনি যা কল্পনায়

কার্ফ্যু ভেঙে ছুটলো মিছিল এটা মোটেও গল্প নাই

ছালাম রফিক বরকত আর

শহীদ হলেন ভাই জব্বার

এই ঘটনা বিশ্বজুড়ে ইতিহাসে অল্প নাই

১৬.৯.২০১২ খ্রি.

বনানীবাড়ি, কোর্টপাড়া, চুয়াডাঙ্গা