মায়ের কোলে খোকন দোলে লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মায়ের কোলে খোকন দোলে লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৬

দোয়া কোরো মা



বিশ্বটাকে বদলে দেব
বড় মানুষ হয়ে,
চারিদিকে যাবে তখন
খুশির নহর বয়ে।

সবার আশিস থাকে যদি
ভয়-ভাবনা তাড়াব,
আলোর প্রদীপ হাতে নিয়ে
আঁধারে পা বাড়াব।

মন্দ কিছু ভেঙেচুরে
ফেলব ছুড়ে অনেক দূরে
ভালোয় ভালোয় ভরিয়ে দেব
ভুবন-জগৎটা
দোয়া কোরো মা।
২২.০৯.২০১৪
হাজিবাড়ি, মুক্তিপাড়া, চুয়াডাঙ্গা।

শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০১৫

তুমি আমার মা

মাগো তুমি কোথায় আছো ভুবনজুড়ে খুঁজি
পাওনি সেবা এই ছেলেটার রাগ করেছো বুঝি
সকাল-বিকেল তোমার কথা কেবল পড়ে মনে
বুকের ভেতর মোচড় মারে কষ্ট ক্ষণে ক্ষণে।

কী অভিমান ছিলো এমন আমায় দিলে ফাঁকি
দাও না সাড়া রাত বিরাতে মা মা যতোই ডাকি
আদর সোহাগ পাইনে এখন মনটা ব্যথায় ভরা
জীবনজুড়ে চলছে যেন জ্যৈষ্ঠ মাসের খরা।

কার কাছে কই মনের কথা সান্ত্বনা কে দেবে
দুখের সময় বুকের ভেতর আমার মাথা নেবে
কে খাওয়াবে আদর করে কোলের কাছে ডেকে
কেমন করে আছো মাগো দূরে আমায় রেখে?

ভাল্লাগে না কোনো কিছুই একলা ঘরে বসে
জীবন থেকে আশিস-স্নেহ সব পড়ে যায় খসে
এমনিভাবেই নীরব হয়ে থাকবো নাকি মাগো
তোমায় ছেড়ে আমি যে আর থাকতে পারি নাগো।

অষ্ট প্রহর শূন্য বাড়ি কার বিহনে খাঁ খাঁ
কে যেন নেই কী যেন নেই কেবল ফাঁকা ফাঁকা
সারা জীবন খুঁজে খুঁজে হয়তো পাবো না
বিশ্ব বিবেক বড় আপন তুমি আমার মা।
০১.০২.২০১৩ খ্রি.
হাজিবাড়ি, মুক্তিপাড়া, চুয়াডাঙ্গা।

বুধবার, ৪ এপ্রিল, ২০১২

রাইয়ানের জন্যে ছড়া

নিঝুম রাতের হাট ছাড়িয়ে শ্মশানতলীর ঘাট ছাড়িয়ে
ভয়-ভাবনা কাটিয়ে সব দত্যি-দানার মাঠ ছাড়িয়ে
মায়াবিনী সাত আসমানের মাঝে
নীলের ভাঁজে ভাঁজে
লক্ষ তারার বাগানজুড়ে চাঁদের হাসি ফুটলো যখন;

গোলাপ-চাপার বনে বনে রঙ ছড়িয়ে মনে মনে
গন্ধ মাতাল মৌটুসিকে হাতছানি দেয় ক্ষণে ক্ষণে
মধুর মধুর কতো না সুর তুলে
হরেক রকম ফুলে
রঙ বেরঙের প্রজাপতি-মৌমাছিরা জুটলো যখন;


তেপান্তরের দেশ পেরিয়ে ভয়াল পরিবেশ পেরিয়ে
অজানা সব গল্পগাথা কল্পপুরীর শেষ পেরিয়ে
কুদরতি কার হাতের পরশ লেগে
আলোর গতিবেগে
ফুল পরীদের ঘুম ভাঙাতে জান্নাতি হুর ছুটলো যখন;


পাখপাখালির গানে গানে কচি ভোরের হাওয়ার তানে
সাত সাগরের বুকে এবং দূর সীমানার মরুদ্যানে
মুঠো মুঠো আলোর ঝলক দিয়ে
খুশির খবর নিয়ে
পূব আকাশের মন রাঙিয়ে সূর্য জেগে উঠলো যখন;

তখন আমার রাইয়ান ঘরে আসলো;
মন খুশিতে হাসলো।
২৩.০৩.২০১২ খ্রি.
বনানীবাড়ি, কোর্টপাড়া, চুয়াডাঙ্গা।

মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১১

খোকন ছেলে

ফোঁকলা মুখে শুক তারা হও

তারার সাথে দোলো,

আলতো ছোঁয়ায় দাও ভরিয়ে

শূন্য মায়ের কোলও।


কাজল মাখা ডাগর চোখে

মায়ার ছবি আঁকো,

সারাবেলা এই মা মণির

হৃদয় জুড়ে থাকো।


চাঁদের আলোয় নেয়ে আসা

মিষ্টি হাসিগুলো,

দাও ছড়িয়ে উষ্ণ বুকে

রাঙিয়ে মনের ধুলো।


তুমি আমার মলিন গলায়

সুখের মতিমালা,

তোমায় পেয়ে দূর হয়েছে

হাজার দিনের জ্বালা।


চোখের কোণে স্বপ্ন তুমি

ওগো খোকন ছেলে,

আর কিছু নেই চাওয়া পাওয়া

তোমায় কাছে পেলে।

০২.৫.১৯৯০ খ্রি. কৃষ্ণপুর, চুয়াডাঙ্গা।


শনিবার, ১৮ জুন, ২০১১

আমার সোনাটুক

চোখ ঘুম ঘুম ঘুম
ঝুমঝুমি ঝুম ঝুম
অমনি জেগে হাত-পা নেড়ে
খেলার সে কী ধুম।

গাল তুল তুল তুল
যেন গোলাপ ফুল
তার হাসিতে বাড়ির সবাই
খুশিতে মশগুল।

মুখ চুকচুক চুক
সারাবাড়ির সুখ
আর কেউ নয় জাদু মানিক
আমার সোনাটুক।
০৬.৬.২০১০ খ্রি. বনানীবাড়ি, কোর্টপাড়া, চুয়াডাঙ্গা।

শুক্রবার, ১৭ জুন, ২০১১

ময়নার অভিমান

মাগো তুমি প্রতিদিন
বলো কেন
দুষ্টু,
যদি চাও আজ থেকে
হয়ে যাব
সুষ্ঠু

তাও কি মা তুমি ওগো
বকাঝকা করবে,
চোখ-মুখ লাল করে
কান চেপে
ধরবে?

দাও যদি কান মলে
ইশকুলে
যাব না,
অভিমান করে দেখো
কিছুতেই
খাব না

মান করে বসে রবে
মাগো তোর
ময়না,
তাই বলি কানমলা
আর যেন
হয় না!

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুন, ২০১১

কচি মুখের হাসি

হাসির রাজা ঝিলিক মারে
খোকন সোনার মুখে,
খোকনকে মা জড়িয়ে ধরেন
আবেশভরা বুকে-
খোকার মাথায় বিলি কাটেন
অজানা উৎসুকে;
তাইতো খোকার আম্মুমণির
দিন কেটে যায় সুখে
১৪.১০.১৯৯৬ খ্রি.

শুক্রবার, ২৭ মে, ২০১১

মানুষ

লোক গিজগিজ শহর বাজার
বাড়ির ওপর বাড়ি,
মানুষ যেন পাল্লা দিয়ে
বাড়ছে কাড়ি কাড়ি

আদালতে হাসপাতালে
নেই মানুষের ঠাঁই,
যানবাহনে দম সরে না
এই বুঝি জান যায়

বাড়ছে মানুষ বাড়ছে বেকার
আর থাকে না মান,
সবার আগে বাড়াও দেশে
কর্মসংস্থান
০১.৯.০৭ খ্রি. বনানীবাড়ি, কোর্টপাড়া, চুয়াডাঙ্গা

কাব্যর জন্য ছড়া

আমার খোকন কাব্য সোনা
হাসিতে ফিকফিক,
ফোকলা দাঁতে তারার আলো
করে গো ঝিকমিক

আধো আধো বুলিতে তার
গাল দুটো তুলতুল,
হরেক সুরে গান গায় সে
পাপিয়া বুলবুল

চাঁদের হাসি কাব্য হাসে
খুশিতে খিল খিল,
কাব্য-চাঁদের দুই হাসিতে
দুনিয়া ঝিলমিল
৩০.৮.০৭ খ্রি. কৃষ্ণপুর, নিজবাড়ি

মঙ্গলবার, ২৪ মে, ২০১১

আমার খোকন সোনার খোকন

আমার খোকন সোনার খোকন
সোনার বরণ মুখখানা,
হাসলে খোকন যায় জুড়িয়ে
শতেক জ্বালার বুকখানা

খোকন আমার হাসি-খুশি
জোছনা ভরা চাঁদখানা,
খোকন আমার জানের খোকন
রাজ্য যেন আধখানা

খোকন হাসে আমার কোলে
খুশিতে হই আটখানা,
ফুল-ফসলে ভরে ওঠে
মনজমিনের মাঠখানা
১৯.৩.০৭ খ্রি. মাথাভাঙ্গা অফিস

সোমবার, ২৩ মে, ২০১১

মায়ের স্নেহের বাঁধ

মাগো তোমার আঁচলতলে বেঁধো না আর ছাড়ো
কল্পকথার গল্প আমি শুনবো নাতো মোটে
এখন আমি অনেক বড় বুঝতে কি তা পারো
মনটা আমার চঞ্চলা তাই এদিক ওদিক ছোটে

ইচ্ছে করে রামধনুকের সপ্ত রঙের মাঝে
রঙতুলিতে সারাবেলা রঙের খেলা শিখি
বনবনানীর ছবি আঁকি মেঘের ভাঁজে ভাঁজে
কিংবা ফসল ফুলের ছবি আলোর ঝিকিমিকি

শিগগিরই মা বেতসবনে হারিয়ে যাবো আমি
বনমোরগের গানে মেতে ঘুরবো একা একা
যতই বলো দুষ্টু ছেলে করিসনে পাগলামি
তাও সহসা বলো মাগো পাবে আমার দেখা

যাবোই আমি সাতসাগর ও তেরনদীর বাঁকে
নীল পাহাড়ের চূড়ায় ওঠা আমার ভারি সাধ
যাচ্ছি এবার এই ছেলেকে কে আর ধরে রাখে
দোহাই লাগে দাও খুলে মা তোমার স্নেহের বাঁধ

রবিবার, ১৫ মে, ২০১১

খোকার দাবি

খোকার দাবি
মাগো আমায় হাসতে দিয়ো
হাসতে ভালোবাসি,
আমায় কেবল হাসিয়ে দেয়
তোমার মুখের হাসি

মুখ কোরো না গোমড়া তুমি
মুখ কোরো না কালো,
বেজারমুখো মানুষগুলো
একটুও নয় ভালো

তুমি আমার হাসিখুশি
সকল সুখের চাবি,
হাসিমুখে থেকো মাগো
এটাই আমার দাবি

শনিবার, ১৪ মে, ২০১১

খোকার অভিমান


মাগো তুমি আমায় কেবল বলো পাগল ছেলে
আমি নাকি সারাটাদিন বেড়াই খেলে খেলে
দস্যি ছেলের মতো আমি ধরিনে মা ঝিঁঝি
তবু কেন কান মলে দেয় তোমার মেয়ে রিজি?

সকল সময় তোমার হুকুম আমিই শুধু শুনি
তোমার কাছে রিজি তবু পান্না হিরে চুনি
যা চায় রিজি তাই কিনে দাও মুখ করো না ভার
আমার বেলায় বড্ড অভাব দেখাও তুমি আর-

রিজির আছে ছয়টি জামা আমার দুটো মোটে
আমার বেলায় তোদের কি মা পয়সাকড়ি জোটে?
রিজিকে দিস পুতুল কিনে পুতুল মেয়ের শাড়ি
আমায় কিনে দিসনে কেন একটা খেলার গাড়ি?

সববেলাতেই ফাঁকি দিলে মাগো দেখিস কবে
তোকে ছেড়ে হারিয়ে যাবো তখন কী তোর হবে?
হয়তো সেদিন খেলবো আমি লক্ষ তারার মাঝে
কিংবা কোনো রঙিন মেঘের নরম ভাজে ভাজে

সেদিন তুমি যতই ডাকো আমায় পাবে নাকো
রিজি তোমার লক্ষ্মী মেয়ে ওকে নিয়েই থাকো
মা হেসে কন ‘বলিস কী রে জড়িয়ে ধরেন বুকে
তোরা দুজন আছিস বলেই আছি অনেক সুখে

সকলবেলায় তোকে ফাঁকি দেবো কেন খোকা
মায়ের সাথে এমন কথা বলতে আছে বোকা
তোকে আমি পাগল বলি কে বলেছে কেরে?
পাগল বলে তোকে খোকা সোহাগ করি যেরে

বুধবার, ১১ মে, ২০১১

তিনি হলেন মা

এক্কেবারেই মন টেকে না ঘরে

বাউল আমার ছোট্ট এ মন খানি

আনমনে সে কেমন যেন করে

কে দিয়ে যায় কেবলই হাতছানি


কে নিশি-দিন স্বপ্ন হয়ে ডাকে

সকল সময় রাখে কেবল খোঁজ

কে বলোতো চোখে চোখে রাখে

সোনার খোকন ডেকে ডেকে রোজ


আমি কেনো সবাই তাকে চেনে

তবু আমি বলবো খুলে তা,

কিন্তু তাকে চলতে হবে মেনে

তিনি হলেন মা জননী মা

২০ এপ্রিল ১৯৯১ খ্রি.

কৃষ্ণপুর, আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা।

মঙ্গলবার, ১০ মে, ২০১১

মা ও খোকন

নানির আদলে গড়া মার মুখ মায়ের আদলে আমি

নিশি দিন তাই মার সাথে আমি করি খালি পাগলামি

মার গলা ধরে রাতে শুয়ে থাকি দিনমান পিছেপিছে

হটিহটি করে ফিরে আসি ফের মার আঁচলের নিচে


খানাপিনে ভুলে ধুলোবালি নিয়ে মাঝে মাঝে মেতে থাকি

পাজি ছেলে বলে মামনি আমায় খুঁজে করে ডাকাডাকি

আমি যে বেয়াড়া পাজি ছেলে বেশ শৈশবে মাও ছিলো

ধারণা আমার পুরোপুরি ঠিক মিছে নয় এক তিলও-


নানি শুনে কয় ঠিক বলেছিস কথা মিছে হয় নাকি

তোর মাও ছিলো দুষ্টু-পাজিতে একেবারে পাকাপাকি

কথা শুনে হাসে মামনি তখন রাঙা হাসিমুখ টিপে

পাজি ছেলে বলে কোলে তুলে চুমু খায় গাল চিপেচিপে


মার কোলে চড়ে আল্লাদে খুব গদগদ হয়ে কই,

শৈশবে তুমি পাজি মেয়ে ছিলে আমি একা পাজি নই

১৪.৯.০৪ খ্রি. হাসপাতাল কোয়ার্টার, মেহেরপুর

আমার খোকন


আমার খোকন হাসেরে
ফুলপরীরা আসেরে
ঘর মৌ মৌ করে ওঠে
নানান ফুলের বাসেরে

আমার খোকন হাঁটেরে
মনের আঁধার কাটেরে
খুশির আলো ঝলকে ওঠে
ফুল ফসলের মাঠেরে

খোকন কথা বলেরে
ঘরের পিদিম জ্বলেরে
স্বর্গ এলো আমার ঘরে
খোকন সোনার ছলেরে
১৭.৬.০৫ খ্রি. হাসপাতাল কোয়ার্টার, মেহেরপুর

বুধবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১১

গাল ফোলানো মেয়ে

মন বসে না লেখাপড়ায়
ছোট্ট মেয়ে সুমি',
বাজার থেকে আনতে হবে
সিংহ হাতি কুমির

চোখ সরে না টিভি থেকে
খুব বেশি পায় মজা,
রোজ বিকেলে তার খাওয়া চাই
সিঙ্গাড়া চপ গজা

সারাটাদিন বায়না খালি
লেগেই থাকে মুখে,
ঈদের আগে নতুন জামা
চায় রাঙা টুকটুকে

খুব খুশি হয় চওয়ার সাথে
যেই সবই যায় পেয়ে,
সুমি আমার আদুরিণী
গালফোলানো মেয়ে
১১/৮/১৯৯৭ খ্রি.

মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১১

মা

হাঁটি হাঁটি পা

প্রথম কথা মা


মায়ের মধুর কোল

দেয় ধীরে হিল্লোল


মায়ের হাসি মুখ

শীতল করে বুক


ছোট্ট কথা মা

হয় না তুলনা

০৬/৬/১০৯৭ খ্রি.