বুধবার, ৪ এপ্রিল, ২০১২

রাইয়ানের জন্যে ছড়া

নিঝুম রাতের হাট ছাড়িয়ে শ্মশানতলীর ঘাট ছাড়িয়ে
ভয়-ভাবনা কাটিয়ে সব দত্যি-দানার মাঠ ছাড়িয়ে
মায়াবিনী সাত আসমানের মাঝে
নীলের ভাঁজে ভাঁজে
লক্ষ তারার বাগানজুড়ে চাঁদের হাসি ফুটলো যখন;

গোলাপ-চাপার বনে বনে রঙ ছড়িয়ে মনে মনে
গন্ধ মাতাল মৌটুসিকে হাতছানি দেয় ক্ষণে ক্ষণে
মধুর মধুর কতো না সুর তুলে
হরেক রকম ফুলে
রঙ বেরঙের প্রজাপতি-মৌমাছিরা জুটলো যখন;


তেপান্তরের দেশ পেরিয়ে ভয়াল পরিবেশ পেরিয়ে
অজানা সব গল্পগাথা কল্পপুরীর শেষ পেরিয়ে
কুদরতি কার হাতের পরশ লেগে
আলোর গতিবেগে
ফুল পরীদের ঘুম ভাঙাতে জান্নাতি হুর ছুটলো যখন;


পাখপাখালির গানে গানে কচি ভোরের হাওয়ার তানে
সাত সাগরের বুকে এবং দূর সীমানার মরুদ্যানে
মুঠো মুঠো আলোর ঝলক দিয়ে
খুশির খবর নিয়ে
পূব আকাশের মন রাঙিয়ে সূর্য জেগে উঠলো যখন;

তখন আমার রাইয়ান ঘরে আসলো;
মন খুশিতে হাসলো।
২৩.০৩.২০১২ খ্রি.
বনানীবাড়ি, কোর্টপাড়া, চুয়াডাঙ্গা।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন