পাখির দেশে ফুলের বেশে লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
পাখির দেশে ফুলের বেশে লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৬

পাখির আনাগোনা



আমার গ্রামে পাখির আনাগোনা
ভর দিনমান যায় কত ডাক শোনা
গানে গানে মাতায় পাখি
মিতালি বেশ পাতায় পাখি
ডালে ডালে
তালে তালে
নাচে;
এই গাছে ওই গাছে।

কিচির মিচির পাখির কলরোলে
কাকলি তান প্রাণে আবেশ তোলে
ইচ্ছে মতোন ওড়ে পাখি
আগান বাগান জোড়ে পাখি
ঘুরে ঘুরে
সুরে সুরে
মাতে;
এর সাথে ওর সাথে।
১৫ জুলাই ২০১৪
হাজিবাড়ি, মুক্তিপাড়া, চুয়াডাঙ্গা।
# # # # # # #

সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

পাখির সাথে মনের মিল



পাখির মতো মনটা আমার
উড়ে বেড়ায়
আকাশ ভরা মেঘের ছাতি
ফুঁড়ে বেড়ায়

মুক্ত মনে খুশির ডানা
মেলে বেড়ায়
নীল গগনে বাঁধনহারা
খেলে বেড়ায়।

দেখে বেড়ায় ঘুরে ঘুরে
হাওড় বাঁওড় বিল;
পাখির সাথে আমার মনের
অনেক আছে মিল।
০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪
হাজিবাড়ি, মুক্তিপাড়া, চুয়াডাঙ্গা।

শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

প্রকৃতির কানে কানে



পাখি হয়ে উড়ি আমি
ডানা দুটো মেলে,
সীমাহীন আকাশের
কোলে যাই খেলে।

রোজ রোজ বাগানের
ফুল হয়ে ফুটি,
গুন গুন মৌমাছি
গান গেয়ে জুটি।

মাঝে মাঝে আনমনে
প্রজাপতি হই,
প্রকৃতির কানে কানে
কত কথা কই।
০৭ জুন ২০১৪
হাজিবাড়ি, মুক্তিপাড়া, চুয়াডাঙ্গা।

শুক্রবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

হবো পাখির সাথি


পাখির মতো গড়বো আবাস ফুল বাগানে থাকবো
কিচির মিচির ছন্দ সুরে মধুর মধুর ডাকবো
সুখের পালে হাওয়া তুলে নীল গগনে উড়বো
যাবো দূরে অচিনপুরে মেঘের ছাতি ফুঁড়বো।

বনবাদাড়ে ঝোপে ঝাড়ে গানের রাজা সাজবো
গাছের ডালে তালে তালে ইচ্ছে মতোন নাচবো
সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে মজার খেলা করবো
ধানের ক্ষেতের আলে বসে গঙ্গা ফড়িং ধরবো।

দুকান খুলে মাঝে মাঝে হাওয়ার বাঁশি শুনবো
শিশু বনের নিঝুম ডালে চিকন বাসা বুনবো
বুইচিতলার শীতল ছায়ায় সারাটা দিন হাঁটবো
গুনগুনিয়ে আবেশ তুলে অনেক ছড়া কাটবো।

শিমুল পলাশ ডাকবে আমায় হৃদয় খুলে হাসবো
ঘুরে ঘুরে মাটি দেশ ও মানুষ ভালোবাসবো
খেয়াল হলেই রোদের খেয়ায় সবুজ পাখা মেলবো
আবার কখন ঘাম অবসাদ গোটাই ঝেড়ে ফেলবো।

পাখপাখালির জলসা হবে সবার কথা জানবো
কার মনে কী ব্যাকুলতা শুনেই কাছে টানবো
তাবত পাখি মিলেমিশে আপন হয়ে চলবো
পরস্পরে ভাব জমিয়ে মনের কথা বলবো।

সারা জীবন ওদের সাথে কাটবে দিবস রাতি
দিসনে বাধা কেউ আমাকে হবো পাখির সাথি।
০৬ জুন ২০১৬
হাজিবাড়ি, মুক্তিপাড়া, চুয়াডাঙ্গা।

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৫

তখন যে খুব

দূরে ফেলে আঁধার ঘেরা অকাল
আসে হেঁটে সোনালি এক সকাল
পাখিরা গায় কিচির মিচির গান
আকাশজুড়ে ছড়িয়ে যায়-
মিষ্টি আলোর বান।

উল্টে দিয়ে হাঁড়ি সোনা-রুপুর
মাথায় নামে রোদেলা ভরদুপুর
হাওয়ায় তোলে মধুর মধুর তান
খাঁ খাঁ রোদে মেঘরা ভাসায়-
রঙিলা সাম্পান।

আবির মেখে হাসে হলুদ বিকেল
দেয় বিলিয়ে সাঁঝ গোধূলির নিকেল
উঁকি মারে পিদিম নেভা চান,
তারার আলোয় সাজে বসে-
দূর দেশে আসমান।

তখন যে খুব ইচ্ছে করে
প্রজাপতি হই;
ফুল-পাখিদের সঙ্গে সদায়
নিবিড়ভাবে রই।
১৬.০২.২০১৩ খ্রি.
হাজিবাড়ি, মুক্তিপাড়া, চুয়াডাঙ্গা।

রবিবার, ২১ জুলাই, ২০১৩

আনন্দে ঈদ আসুক

 

ঈদের খুশি যাক ছড়িয়ে

সব ভেদাভেদ সরুক,

এক কাতারে শামিল হয়ে

আল্লাদে বুক ভরুক

 

পাপ কালিমার আঁধার কেটে

উল্লাসে মন দুলুক,

শান্তি-সুখের পরশ পেয়ে

নাচুক তামাম মুলুক

 

ভেদাভেদের শিকল ভেঙে

সবাই মেতে উঠুক,

তাবত লোকের মুখে মুখে

ফুলের হাসি ফুটুক

 

শাওয়াল মাসের চাঁদ আকাশে

সারা বছর হাসুক,

ধনী-গরিব সবার ঘরে

আনন্দে ঈদ আসুক

 

 

রবিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১

শরৎ তোমায়

শরৎ তোমার নেইতো জুড়ি
শাদা মেঘের লুকোচুরি
সারাবেলা দেখা যায়;
তাইতো বুঝি তোমায় ঘিরে
কাশের ছড়া নদীর তীরে
কাব্য করে লেখা যায়।

শরৎ তুমি আসলে ঘুরে
শিউলি ফুলের বাগান জুড়ে-
ফুলপাখিদের মেলা হয়;
ছাতিম ফুলের মধু নিয়ে
ফুলে ফুলে গুনগুনিয়ে
মৌমাছিদের খেলা হয়।

এসো আমার দেশে-
শরৎ তোমায় সাজিয়ে দেবো
সবুজ পরিবেশে।

বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১

শরৎ বুড়ি


শরৎ বুড়ি মেঘের ঘুড়ি
আকাশ পানে উড়লো,
গন্ধভারে শিউলি মাতাল
বুনো বাতাস ফুড়লো।

নদীর পাড়ে কাশের ঝাড়ে
কত যে ফুল ফুটলো,
বিল বাঁওড়ের ধারে এসে
মাছরাঙারা জুটলো।

শরৎকালে হাওড় খালে
হাঁস পাখিদের মেলা,
পাকা ধানের মাঠে মাঠে
পাখপাখালির খেলা।

রঙতুলিতে শিল্পী আঁকে
এসব কিছুর ছবি,
তাই শরতে অনেক মানুষ
আনমনে হয় কবি।

রবিবার, ১৯ জুন, ২০১১

ফাগুন মাসের রাতি

মিটির মিটির তারা হেসে ভাঙে খুশির বাঁধ
উতাল হাওয়ার ঝাঁক হল আজ চঞ্চলা উন্মাদ
বন বনানী ছুঁয়ে ছোটে হিম পবনের ঘুড়ি
শিশিরে খায় ডাবের পাতায় আবডালে চুমকুড়ি।

গাছের নতুন কুশি পাতায় খুশির পুলক জাগে
আমের বনে মুকুল ঘুমায় মধুর অনুরাগে
বুনো ফুলের গন্ধে আকুল ক্ষেত মৌ মৌ মাঠ
কৃষ্ণচূড়া আশিস ঢালে নেই কোনো ঝঞ্ঝাট।

শিমুল ফুলে মায়াবিনী জোছনা কুচি ঝরে
হাতছানি দেয় বারে বারে নীলবতী অম্বরে
সজনে ফুলের থোকায় থোকায় শুধু হাসির দোল
নিশি জেগে কুয়াশা দেয় আনমনে হিল্লোল।

ঝকমকা চাঁদ থমকে একা পিদিম হয়ে জ্বলে
হাসির নিকেল জমে আলোর সোনালি কুন্তলে
জলকল্লোল ঝিলের জলে ডাহুক পাড়ে ঘুম
পদ্মকুঁড়ি জেগে থাকে নীরব নিঝঝুম।

নিশি বকের পাখায় পাখায় বাজে মিঠেল সুর
ছন্দ ছড়ায় আপন মনে যায় চলে যদ্দুর
বাঁশবাগানে জোনাকিরা জ্বালে আলোর বাতি
কী মনোরম মায়াবতী ফাগুন মাসের রাতি।
২৭.৩.২০০৯ খ্রি. বনানীবাড়ি, কোর্টপাড়া, চুয়াডাঙ্গা