মিটির মিটির তারা হেসে ভাঙে খুশির বাঁধ
উতাল হাওয়ার ঝাঁক হল আজ চঞ্চলা উন্মাদ
বন বনানী ছুঁয়ে ছোটে হিম পবনের ঘুড়ি
শিশিরে খায় ডাবের পাতায় আবডালে চুমকুড়ি।
গাছের নতুন কুশি পাতায় খুশির পুলক জাগে
আমের বনে মুকুল ঘুমায় মধুর অনুরাগে
বুনো ফুলের গন্ধে আকুল ক্ষেত মৌ মৌ মাঠ
কৃষ্ণচূড়া আশিস ঢালে নেই কোনো ঝঞ্ঝাট।
শিমুল ফুলে মায়াবিনী জোছনা কুচি ঝরে
হাতছানি দেয় বারে বারে নীলবতী অম্বরে
সজনে ফুলের থোকায় থোকায় শুধু হাসির দোল
নিশি জেগে কুয়াশা দেয় আনমনে হিল্লোল।
ঝকমকা চাঁদ থমকে একা পিদিম হয়ে জ্বলে
হাসির নিকেল জমে আলোর সোনালি কুন্তলে
জলকল্লোল ঝিলের জলে ডাহুক পাড়ে ঘুম
পদ্মকুঁড়ি জেগে থাকে নীরব ও নিঝঝুম।
নিশি বকের পাখায় পাখায় বাজে মিঠেল সুর
ছন্দ ছড়ায় আপন মনে যায় চলে যদ্দুর
বাঁশবাগানে জোনাকিরা জ্বালে আলোর বাতি
কী মনোরম মায়াবতী ফাগুন মাসের রাতি।
২৭.৩.২০০৯ খ্রি. বনানীবাড়ি, কোর্টপাড়া, চুয়াডাঙ্গা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন