রবিবার, ১৯ জুন, ২০১১

মাথা হয় যে অবনত


পাহাড় আমার মন কেড়ে নেয় সাগর আমায় টানে
হৃদয় জুড়ে শান্তি নামে পাখপাখালির গানে
বাতাস করে সবুজ সবুজ বনবনানীর পাতা
শস্য-ক্ষেতের মাঠ যেন সব ছবি আঁকার খাতা।

শ্যামল আকাশ হাতছানি দেয় আর ইশরায় ডাকে
শাদা মেঘে উঁকি মারে কালো মেঘের ফাঁকে
নদ-নদীরা আপন মনে একটানা যায় বয়ে
সমুদ্দুরের জোয়ার-ভাটা দেখি অবাক হয়ে।

রোজ সকালে সূর্য এসে দেয় ছড়িয়ে আলো
দূর হয়ে যায় এই পৃথিবীর যত আঁধার কালো
দিনের শেষে আবার ফিরে আসে নীরব রাতি
তারায় তারায় আকাশ জুড়ে চলে চড়ুইভাতি।

পূর্ণিমা চাঁদ হাসির ছটায় মন উতলা করে
জোছনা ধোয়া শিশির কণা আপন মনে ঝরে
চোখের কোণায় ঠিকরে পড়ে চাঁদের মিহিদানা
ঘোর কুয়াশা মেলে ধরে বিশাল সামিয়ানা।

কোন অজানার শীতের কাঁপন আসে হাওয়ার রথে
পেঁজা পেঁজা তুষারপাতে রোদ হাসে পর্বতে
গিরি-গুহার জ্বালামুখে কিসের ব্যথা ফোটে
এসব কিছু জানতে এ মন ব্যাকুল হয়ে ওঠে।

উতলা মন ছোটে তবু হয়নি কিছুই জানা
কারা ইশারায় চলে বিরাট পৃথিবী কারখানা
রহস্য-ভেদ জানতে মনে প্রশ্ন আসে কতো
মালিক যে তার প্রতি মাথা হয় যে অবনত।
২২.১১.২০০৮ খ্রি. বনানীবাড়ি, কোর্টপাড়া, চুয়াডাঙ্গা।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন