শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১১

পাহাড়পুর মহাবিহার সমগ্র বিশ্বের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য

পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের ধবংসাবশেষের একাংশ
     
পুরানো সেই দিনের কথা ভুলবি কি রে হায়ও সেই চোখের দেখা,  প্রাণের কথা, সে কি ভোলা যায় হ্যাঁ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেই বিখ্যাত গানের সুরে সুরে বলতে হয়, পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার একবার  দেখলে আর ভোলা যায় নাএ প্রজন্মের সব মানুষের কাছে এ বৌদ্ধবিহার এক বিস্ময়যা চোখে দেখে সামান্যই বোঝা যায়শুধু মন-প্রাণ খুলে অনুধাবন করতে হয়সে কী বিশাল, কী বিরাট! কেন্দ্রীয় মন্দির বিহারের অন্য সকল স্থাপত্যিক নির্দশনকে ছাড়িয়ে আপন মহিমায় বৈশিষ্ট্য মণ্ডিতপ্রাচীন সুউচ্চ ওই মন্দিরের দৈর্ঘ্য উত্তর-দক্ষিণ ১১২.৪০ মিটার আর প্রস্থে পূর্ব-পশ্চিমে ৯৫.৭৮ মিটার
২০০৬ খ্রিস্টাব্দের ২৪ ফেব্রয়ারি স্বাস্থ্য বিভাগীয় কর্মচারী কল্যাণ সমিতি চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার উদ্যোগে পিকনিক ভ্রমণে যাওয়া হয় নওগাঁর পাহাড়পুরেআমার সহধর্মিণী ওই দপ্তরের একজনতার সুবাদে ওখানে যাওয়ার সুযোগ হলো আমার
চুয়াডাঙ্গা থেকে পাহাড়পুরের দূরত্ব প্রায় ৩শ কিলোমিটারওইদিন ভোরবেলা দুটি বাস চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল গেট থেকে পাহাড়পুরের উদ্দেশে রওনা দেয়ভ্রমণপিয়াসু মানুষ হিসেবে আমিও ওই দলে যোগ দিইসাথে ছিল আমার ৭ বছর বয়সী কন্যা আফসানা সোজিকুষ্টিয়া মজমপুর রেলগেটে গিয়ে বাস দুটি নাস্তা বিরতি দিলোবাসা থেকে বেঁধে নিয়ে যাওয়া খাবার খেলাম বাসের সিটে বসেইরুটি আর ডিমভাজিকুষ্টিয়া ছেড়েই পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত দর্শনীয় লালন শাহ সেতুতার ওপর দিয়ে যখন বাস দুটি যাচ্ছিল, তখন আমার মেয়ে সোজিকে দেখাচ্ছিলাম হার্ডিঞ্জ ব্রিজপদ্মা আগের মতো প্রমত্ত নেইতবে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ যেন সেরকমই আছেতার ওপর দিয়ে ট্রেন চলাচল করেতার পাশ দিয়েই নির্মিত হয়েছে লালন শাহ ব্রিজএ ব্রিজ দিয়ে ট্রেন ছাড়া সব রকম যানবাহন চলাচল করেব্রিজ পার হয়ে ছুটলো বাসবগুড়া জেলা শহরের ভেতর দিয়ে আমরা ছুটে চলেছিশহর ছাড়িয়ে দেখলাম মাঠের পর মাঠ গোল আলুর আবাদমাঠে মাঠে নারী-পুরুষ সম্মিলিতভাবে আলু তুলছেদুপুরের আগেভাগেই আমরা নওগাঁ জেলা ছাড়িয়ে পাহাড়পুর এলাকায় ছুটে চললামকয়েক কিলোমিটার দূর থেকে পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের চূড়া দেখে আমরা আবেগাপ্লুত হলামসে কী নয়নাভিরাম মন্দিরের শীর্ষ চূড়ামনে হলো কখন পৌঁছুবো ওখানেযখন সেখানে পৌঁছুলাম; তখন প্রায় দুপুর গড়িয়ে গেছেসবাই ক্লান্ততার ওপরে খিদেয় পেট চোঁ চোঁ করছেকিন্তু বৌদ্ধবিহারের অপর লুকানো সৌন্দর্যে ক্লান্তি আর খিদের কথা বেমালুম ভুলে গেলাম সবাইকে আর আটকায়ঢুকে পড়লাম বৌদ্ধবিহার এলাকায়
বর্তমান নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত এ সুবিশাল সোমপুর বৌদ্ধবিহারবৌদ্ধবিহারের সেই প্রাচীন যৌবন এখন আর নেই; কিন্তু তার ধ্বংসাবশেষ এখনও মনকে নাড়া দেয় নানাভাবেপাল রাজাদের আমলে এই জায়গার নাম ছিল সোমপুরআর বিহারটির প্রকৃত নাম সোমপুর মহাবিহারসোম অর্থ চাঁদ, আর পুর অর্থ লোকালয়এভাবে সোমপুর নামটির অর্থ দাঁড়ায় চাঁদের লোকালয়সব মিলিয়ে এ অর্থের মর্মানুযায়ী সোমপুর ছিল একটি আলোকোজ্জ্বল স্থানবিখ্যাত পালবংশের দ্বিতীয় নরপতি ধর্মপাল ছিলেন একজন প্রভাবশালী বিজয়ী, বৌদ্ধধর্মের গভীর অনুরাগী স্থাপত্যের নির্মাতাতাই ধরে নেয়া যায়, তার শাসনামলে আনুমানিক ৭৬৯ থেকে ৮১৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে সোমপুর মহাবিহার নির্মিত হয়েছিলবর্তমান বাজারমূল্যে এ মহাবিহারের নির্মাণ ব্যয় যে কয় কোটি টাকা হবে তা হিসাব কষা দুঃসাধ্য ব্যাপার
      বৌদ্ধধর্মের অন্যতম পীঠস্থান হিসেবে তদানীন্তন বৌদ্ধজগতের সর্বত্র সোমপুর মহাবিহারের সুখ্যাতি ছিলএ বিহারের প্রসিদ্ধি এত বেশি ছিল যে, নালন্দাসহ বড় বড় বৌদ্ধ কেন্দ্র থেকে বৌদ্ধ ধর্মানুরাগীরা এ বিহার পরিদর্শন করতেনএমন কি বৌদ্ধ জগতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পণ্ডিত শ্রীজ্ঞান অতীশ দীপঙ্কর ৯৮২ থেকে ১০৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এখানে অবস্থান করেছিলেনতাই ভারতের নালন্দা ও ইন্দোনেশিয়ার বোরবুদুর বিহারের সাথে সোমপুর বিহারের তুলনা চলেএ বিহার এতটাই বিশাল ছিল যে, বৌদ্ধ ভিক্ষুদের বসবাসের জন্য নির্মিত হয়েছিল ১৭৭টি কক্ষপরে বেশ কিছু কক্ষ ভজনালয়ের কাজে ব্যবহৃত হতোতাই হাজার বছর পরেও হাজার হাজার কৌতূহলী মানুষ প্রতিদিনই সেখানে ভিড় জমায়বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পর্যটকরাও আসেন এ বিহার পরির্দশনে
      পালবংশ কর্তৃক নির্মিত সোমপুর বৌদ্ধবিহার নবম শতাব্দীতে প্রতিহাররাজ মহেন্দ্রপালের দখলে চলে যায়পরে পালরাজ প্রথম মহীপাল আনুমানিক ৯৮৮ থেকে ১০৩৮ খ্রিস্টাব্দে পাল সাম্রাজ্যের গৌরব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেনএতে বিহারের গৌরব আবার বেড়ে যায়১১শ শতকের গোড়ার দিতে সোমপুর বিহার আগুনে পুড়ে যায়ভিক্ষু করুণাশ্রীমিত্র ওই অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হনএরপর সেন রাজবংশের আমলে বৌদ্ধ প্রতিষ্ঠানটি রাজার পৃষ্ঠপোষকতা থেকে বঞ্চিত হয়সেনরা ছিলেন ব্রাহ্মণএ কারণেই বৌদ্ধবিহারের প্রতি তাদের কোনো দরদ ছিল নাএরপর মুসলমান আমলে প্রতিষ্ঠান হিসেবে বৌদ্ধবিহারের পরিসমাপ্তি ঘটেপরে বৌদ্ধবিহারটি পুরোপুরি পরিত্যক্ত হয়ে যায়
এভাবেই পরিত্যক্ত অবস্থায় কেটে যায় পাঁচ ছয় শ বছরশতকের পর শতক ধুলোবালি জমে বৌদ্ধবিহারটি ধীরে ধীরে ঢেকে যায়তার ওপরে জন্মে বিভিন্ন প্রকার উদ্ভিদ ও গাছপালাএক পর্যায়ে বৌদ্ধবিহারটি অবিকল পাহাড়াকার রূপধারণ করেতাই পরবর্তীতে সবাই ওটাকে পাহাড় মনে করতে থাকেএক সময় সেখানে একটি গ্রাম গড়ে ওঠেওই পাহাড়ের কারণেই গ্রামটির নাম হয়ে যায় পাহাড়পুর
      পাহাড়পুর থেকে কীভাবে সোমপুর বৌদ্ধবিহার আবিষ্কৃত হলো সে কাহিনীও বেশ মজারসমতল ভূমির দেশে পাহাড়ের মতো বিশাল উঁচু ঢিবির অবস্থান স্বভাবতই কৌতূহলপ্রদতাই ১৮ শতকের গোড়ার দিকে তদানীন্তন ইস্টইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মকর্তা বুকানন হেমিল্টন ও পরে ওয়েস্টম্যাকট ১৮০৭ থেকে ১৮১২ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে পূর্বভারত ভ্রমণকালে পাহাড়পুর পরির্দশন করেনএ সকল কর্মকর্তা দেশে ফিরে গিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা সংবলিত বিবরণ পত্রপত্রিকায় প্রকাশ করেনমূলত তাদের বিবরণের সূত্র ধরেই সে সময়কার ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপের কর্মকর্তা ও উপমহাদেশীয় প্রত্নতত্ত্বের পথিকৃৎ স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম ১৮৭৯ সালে পাহাড়পুর পরিদর্শন করেনএ সময় কানিংহাম প্রত্নস্থলে ব্যাপক খননের উদ্যোগ নেনবলিহারের জমিদারের বিরোধিতায় তাকে পাহাড়পুরের কেন্দ্রীয় ঢিবির শীর্ষভাগে সীমিত খনন করে তৃপ্ত থাকতে হয়এর দীর্ঘদিন পর উনিশ শতকের গোড়ার দিকে প্রত্নস্থলটি বাঙালি সুধী সমাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করেকলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, বরেন্দ্র গবেষণা পরিষদ ও ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের যৌথ প্রচেষ্টা এবং দিঘাপতিয়ার জমিদার পরিবারের সদস্য শরৎ কুমার রায়ের অর্থানুকূল্যে ১৯২৩ সালে পাহাড়পুর ঢিবিতে পুনরায় প্রত্নতাত্ত্বিক খননকাজ শুরু হয়পরে ১৯২৫ থেকে ১৯২৬, ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৪ এবং স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ কর্তৃক পাহাড়পুর দ্বিতীয় পর্যায়ে খননকাজ শুরু হয়১৯৮৭ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত খনন করে আবিষ্কৃত হয় আজকের পাহাড়পুরের বৌদ্ধবিহারপাহাড়পুরের বৌদ্ধবিহারের সীমানা এত বিস্তৃত এলাকাজুড়ে য, এদিক থেকে ওদিকে ঠিকমতো দৃষ্টি যায় নাদু একদিনের মধ্যে তা সব দেখেও শেষ করার জো নেইতাই সে এক বিস্ময়
      ছেলে-বুড়ো, স্বামী-স্ত্রী, শিশু-কিশোরসহ আমরা প্রায় শ খানেক চুয়াডাঙ্গার মানুষ পাহাড়পুরের বৌদ্ধবিহার ঘুরে ফিরে দেখছিলামবিশাল বৌদ্ধ মন্দিরের চৌহদ্দিতে আমরা কে কোথায় যেন হারিয়ে গেলামসেখানে একে অপরকে খুঁজে পাওয়াই দুষ্করএই বৌদ্ধবিহার এতই সুবিশাল যে, মন্দিরের চূড়ায় ওঠা মানুষগুলোকে নিচ থেকে পিঁপড়ের মতো মনে হয়মন্দিরের চারপাশ ঘুরে দেখতে দেখতে কখন যে দু-তিন ঘণ্টা কেটে গেল বুঝতেই পারিনিঅথচ ওই বৌদ্ধবিহারের কিছুই দেখা হয়নিকিছুই ঘোরা হয়নিউপলদ্ধি আর অনুধাবনও করতে পারিনি বুক ভরেইচ্ছে করে বার বার ছুটে যাই পাহাড়পুরেআমরা কয়েকজন অনেক চেষ্টা করে বিহারের শীর্ষে উঠলামবন্ধু আশার কাছে স্টিল ক্যামেরা ও ভিডিও ক্যামেরা ছিলসে অনেক দৃশ্য ভিডিও ধারণ করলোসোজিরও অনেক ছবি তুললো তারাকয়েকদিন লাগবে এ বিহারের সব জায়গা ঘুরে দেখতেবিহার এলাকায় আমাদের সাথে যারা ছিল, অনেককেই হারিয়ে ফেলেছিকে কোথায় আছে খুঁজে পাচ্ছিলাম নামোবাইলে যোগাযোগ হলোদেখতে দেখতে বেলা পড়ে যাচ্ছে সে কথা মাথায়ই নেইখিদের কথা যেন মনেই নেইনাএকদিনে আর কী দেখবোইচ্ছে হয় বারবার আসি এখানেনয়ন ভরে দেখি পুরাকীর্তি বৌদ্ধবিহার আর বুক ভরে ভরে নিঃশ্বাস ছাড়িতখন সূর্য গড়িয়ে বিকেলতড়িঘড়ি করে ছুটে গেলাম পাহাড়পুরের জাদুঘরেজাদুঘরের প্রবেশমূল্য ৫ টাকা
      পাহাড়পুর মহাবিহারের প্রাপ্ত বিভিন্ন ধরনের প্রত্নসামগ্রী প্রদর্শনের উদ্দেশে বিহারের পূর্ব দিকে ১৯৫৬-৫৭ সালে একটি ক্ষুদ্রাকার জাদুঘর নির্মিত হয়৪টি প্রদর্শনীকক্ষসহ এ জাদুঘরে সোমপুর মহাবিহার, তারা মন্দির ও বাংলাদেশের অন্যান্য এলাকাসমূহ যেমন- মহাস্থান, ময়নামতি, গৌড় ইত্যাদির প্রত্ননির্শনাদি প্রদর্শিত হচ্ছেসোকেসগুলোতে সাজানো আছে প্রত্নস্থল থেকে প্রাপ্ত কৃষ্ণের অশুর বধ, বলরাম, ইন্দ্র যম, প্রস্তরলিপি, মিথুন, গণেশ, নরমূর্তি, শিবলিঙ্গ, বিষ্ণু, শিব-পার্বতী, উমা-মহেশ্বর প্রস্তেরমূর্তি, ব্রঞ্জের কলস ইত্যাদিসহ কোটি কোটি টাকার প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনজাদুঘরের মধ্যে ছবি তোলা নিষিদ্ধতাই ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও ওই সব মহামূল্যমান নিদর্শনের ছবি ওঠাতে পারলাম না
      স্বাধীনতার পরপরই ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ সরকার ইউনেস্কোকে অনুরোধ জানায়, পাহাড়পুর মহাবিহার পুরাকীর্তির সংরক্ষণকাজে আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্যফলশ্রুতিতে ১৯৮৩ সালে প্রত্নস্থলটি সংস্কার ও সংরক্ষণের জন্য দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের দ্বারা একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়১৯৮৫ সালে প্রত্নস্থলটি বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য (World Cultural Heritage) এর অন্তর্ভুক্ত হয়ফলে পাহাড়পুর মহাবিহার কেবল বাংলাদেশের ঐতিহ্য নয়, এটা এখন সমগ্র বিশ্বের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য
            জাদুঘর দেখার পরপরই খাওয়ার পালাকিন্তু আমি পড়লাম বেকায়দা অবস্থায়ভ্রমণে খাওয়া দাওয়ার কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়নিযার যার ব্যবস্থা তার তারপাশের কয়েকটি হোটেলে গেলামখাবার শেষকেউ কেউ খাবার নিয়ে গিয়েছিলসোজি অন্যদের মধ্যে খেয়ে নিলোআমার অবস্থা ত্রাহি ত্রাহিদূরের কোনো হোটেলে যাওয়ারও সুযোগ নেইপাহাড়পুর মফঃস্বল এলাকাবিধায় সেখানে নামীদামি কোনো হোটেল নেইকোনো বাজারঘাটও নেইবাস ছেড়ে যাবে কিছুক্ষণের মধ্যেইফলে আমার খাওয়া হলো নাকিছু শুকনো খাবার আর পানি খেয়ে খিদের জ্বালা মেটানো হলোএবার বগুড়ার মহাস্থানগড় দেখার পালাসবাই বাসে উঠলে বাস ছুটলো সেদিকে

২৬.৩.২০০৬ খ্রি. চুয়াডাঙ্গা

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন