| পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের ধবংসাবশেষের একাংশ |
পুরানো সেই দিনের কথা ভুলবি কি রে হায়। ও সেই চোখের দেখা, প্রাণের কথা, সে কি ভোলা যায়। হ্যাঁ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেই বিখ্যাত গানের সুরে সুরে বলতে হয়, পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার একবার দেখলে আর ভোলা যায় না। এ প্রজন্মের সব মানুষের কাছে এ বৌদ্ধবিহার এক বিস্ময়। যা চোখে দেখে সামান্যই বোঝা যায়। শুধু মন-প্রাণ খুলে অনুধাবন করতে হয়। সে কী বিশাল, কী বিরাট! কেন্দ্রীয় মন্দির বিহারের অন্য সকল স্থাপত্যিক নির্দশনকে ছাড়িয়ে আপন মহিমায় বৈশিষ্ট্য মণ্ডিত। প্রাচীন সুউচ্চ ওই মন্দিরের দৈর্ঘ্য উত্তর-দক্ষিণ ১১২.৪০ মিটার আর প্রস্থে পূর্ব-পশ্চিমে ৯৫.৭৮ মিটার।
২০০৬ খ্রিস্টাব্দের ২৪ ফেব্র“য়ারি স্বাস্থ্য বিভাগীয় কর্মচারী কল্যাণ সমিতি চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার উদ্যোগে পিকনিক ভ্রমণে যাওয়া হয় নওগাঁর পাহাড়পুরে। আমার সহধর্মিণী ওই দপ্তরের একজন। তার সুবাদে ওখানে যাওয়ার সুযোগ হলো আমার।
চুয়াডাঙ্গা থেকে পাহাড়পুরের দূরত্ব প্রায় ৩শ কিলোমিটার। ওইদিন ভোরবেলা দুটি বাস চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল গেট থেকে পাহাড়পুরের উদ্দেশে রওনা দেয়। ভ্রমণপিয়াসু মানুষ হিসেবে আমিও ওই দলে যোগ দিই। সাথে ছিল আমার ৭ বছর বয়সী কন্যা আফসানা সোজি। কুষ্টিয়া মজমপুর রেলগেটে গিয়ে বাস দুটি নাস্তা বিরতি দিলো। বাসা থেকে বেঁধে নিয়ে যাওয়া খাবার খেলাম বাসের সিটে বসেই। রুটি আর ডিমভাজি। কুষ্টিয়া ছেড়েই পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত দর্শনীয় লালন শাহ সেতু। তার ওপর দিয়ে যখন বাস দুটি যাচ্ছিল, তখন আমার মেয়ে সোজিকে দেখাচ্ছিলাম হার্ডিঞ্জ ব্রিজ। পদ্মা আগের মতো প্রমত্ত নেই। তবে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ যেন সেরকমই আছে। তার ওপর দিয়ে ট্রেন চলাচল করে। তার পাশ দিয়েই নির্মিত হয়েছে লালন শাহ ব্রিজ। এ ব্রিজ দিয়ে ট্রেন ছাড়া সব রকম যানবাহন চলাচল করে। ব্রিজ পার হয়ে ছুটলো বাস। বগুড়া জেলা শহরের ভেতর দিয়ে আমরা ছুটে চলেছি। শহর ছাড়িয়ে দেখলাম মাঠের পর মাঠ গোল আলুর আবাদ। মাঠে মাঠে নারী-পুরুষ সম্মিলিতভাবে আলু তুলছে। দুপুরের আগেভাগেই আমরা নওগাঁ জেলা ছাড়িয়ে পাহাড়পুর এলাকায় ছুটে চললাম। কয়েক কিলোমিটার দূর থেকে পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের চূড়া দেখে আমরা আবেগাপ্লুত হলাম। সে কী নয়নাভিরাম মন্দিরের শীর্ষ চূড়া। মনে হলো কখন পৌঁছুবো ওখানে। যখন সেখানে পৌঁছুলাম; তখন প্রায় দুপুর গড়িয়ে গেছে। সবাই ক্লান্ত। তার ওপরে খিদেয় পেট চোঁ চোঁ করছে। কিন্তু বৌদ্ধবিহারের অপর লুকানো সৌন্দর্যে ক্লান্তি আর খিদের কথা বেমালুম ভুলে গেলাম সবাই। কে আর আটকায়। ঢুকে পড়লাম বৌদ্ধবিহার এলাকায়।
বর্তমান নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত এ সুবিশাল সোমপুর বৌদ্ধবিহার। বৌদ্ধবিহারের সেই প্রাচীন যৌবন এখন আর নেই; কিন্তু তার ধ্বংসাবশেষ এখনও মনকে নাড়া দেয় নানাভাবে। পাল রাজাদের আমলে এই জায়গার নাম ছিল সোমপুর। আর বিহারটির প্রকৃত নাম ‘সোমপুর মহাবিহার’। ‘সোম’ অর্থ চাঁদ, আর ‘পুর’ অর্থ লোকালয়। এভাবে সোমপুর নামটির অর্থ দাঁড়ায় ‘চাঁদের লোকালয়’। সব মিলিয়ে এ অর্থের মর্মানুযায়ী সোমপুর ছিল একটি আলোকোজ্জ্বল স্থান। বিখ্যাত পালবংশের দ্বিতীয় নরপতি ধর্মপাল ছিলেন একজন প্রভাবশালী বিজয়ী, বৌদ্ধধর্মের গভীর অনুরাগী স্থাপত্যের নির্মাতা। তাই ধরে নেয়া যায়, তার শাসনামলে আনুমানিক ৭৬৯ থেকে ৮১৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে সোমপুর মহাবিহার নির্মিত হয়েছিল। বর্তমান বাজারমূল্যে এ মহাবিহারের নির্মাণ ব্যয় যে কয় শ’ কোটি টাকা হবে তা হিসাব কষা দুঃসাধ্য ব্যাপার।
বৌদ্ধধর্মের অন্যতম পীঠস্থান হিসেবে তদানীন্তন বৌদ্ধজগতের সর্বত্র সোমপুর মহাবিহারের সুখ্যাতি ছিল। এ বিহারের প্রসিদ্ধি এত বেশি ছিল যে, নালন্দাসহ বড় বড় বৌদ্ধ কেন্দ্র থেকে বৌদ্ধ ধর্মানুরাগীরা এ বিহার পরিদর্শন করতেন। এমন কি বৌদ্ধ জগতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পণ্ডিত শ্রীজ্ঞান অতীশ দীপঙ্কর ৯৮২ থেকে ১০৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এখানে অবস্থান করেছিলেন। তাই ভারতের নালন্দা ও ইন্দোনেশিয়ার বোরবুদুর বিহারের সাথে সোমপুর বিহারের তুলনা চলে। এ বিহার এতটাই বিশাল ছিল যে, বৌদ্ধ ভিক্ষুদের বসবাসের জন্য নির্মিত হয়েছিল ১৭৭টি কক্ষ। পরে বেশ কিছু কক্ষ ভজনালয়ের কাজে ব্যবহৃত হতো। তাই হাজার বছর পরেও হাজার হাজার কৌতূহলী মানুষ প্রতিদিনই সেখানে ভিড় জমায়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পর্যটকরাও আসেন এ বিহার পরির্দশনে।
পালবংশ কর্তৃক নির্মিত সোমপুর বৌদ্ধবিহার নবম শতাব্দীতে প্রতিহাররাজ মহেন্দ্রপালের দখলে চলে যায়। পরে পালরাজ প্রথম মহীপাল আনুমানিক ৯৮৮ থেকে ১০৩৮ খ্রিস্টাব্দে পাল সাম্রাজ্যের গৌরব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। এতে বিহারের গৌরব আবার বেড়ে যায়। ১১শ শতকের গোড়ার দিতে সোমপুর বিহার আগুনে পুড়ে যায়। ভিক্ষু করুণাশ্রীমিত্র ওই অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হন। এরপর সেন রাজবংশের আমলে বৌদ্ধ প্রতিষ্ঠানটি রাজার পৃষ্ঠপোষকতা থেকে বঞ্চিত হয়। সেনরা ছিলেন ব্রাহ্মণ। এ কারণেই বৌদ্ধবিহারের প্রতি তাদের কোনো দরদ ছিল না। এরপর মুসলমান আমলে প্রতিষ্ঠান হিসেবে বৌদ্ধবিহারের পরিসমাপ্তি ঘটে। পরে বৌদ্ধবিহারটি পুরোপুরি পরিত্যক্ত হয়ে যায়।
এভাবেই পরিত্যক্ত অবস্থায় কেটে যায় পাঁচ ছয় শ’ বছর। শতকের পর শতক ধুলোবালি জমে বৌদ্ধবিহারটি ধীরে ধীরে ঢেকে যায়। তার ওপরে জন্মে বিভিন্ন প্রকার উদ্ভিদ ও গাছপালা। এক পর্যায়ে বৌদ্ধবিহারটি অবিকল পাহাড়াকার রূপধারণ করে। তাই পরবর্তীতে সবাই ওটাকে পাহাড় মনে করতে থাকে। এক সময় সেখানে একটি গ্রাম গড়ে ওঠে। ওই পাহাড়ের কারণেই গ্রামটির নাম হয়ে যায় পাহাড়পুর।
পাহাড়পুর থেকে কীভাবে সোমপুর বৌদ্ধবিহার আবিষ্কৃত হলো সে কাহিনীও বেশ মজার। সমতল ভূমির দেশে পাহাড়ের মতো বিশাল উঁচু ঢিবির অবস্থান স্বভাবতই কৌতূহলপ্রদ। তাই ১৮ শতকের গোড়ার দিকে তদানীন্তন ইস্টইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মকর্তা বুকানন হেমিল্টন ও পরে ওয়েস্টম্যাকট ১৮০৭ থেকে ১৮১২ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে পূর্বভারত ভ্রমণকালে পাহাড়পুর পরির্দশন করেন। এ সকল কর্মকর্তা দেশে ফিরে গিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা সংবলিত বিবরণ পত্রপত্রিকায় প্রকাশ করেন। মূলত তাদের বিবরণের সূত্র ধরেই সে সময়কার ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপের কর্মকর্তা ও উপমহাদেশীয় প্রত্নতত্ত্বের পথিকৃৎ স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম ১৮৭৯ সালে পাহাড়পুর পরিদর্শন করেন। এ সময় কানিংহাম প্রত্নস্থলে ব্যাপক খননের উদ্যোগ নেন। বলিহারের জমিদারের বিরোধিতায় তাকে পাহাড়পুরের কেন্দ্রীয় ঢিবির শীর্ষভাগে সীমিত খনন করে তৃপ্ত থাকতে হয়। এর দীর্ঘদিন পর উনিশ শতকের গোড়ার দিকে প্রত্নস্থলটি বাঙালি সুধী সমাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, বরেন্দ্র গবেষণা পরিষদ ও ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের যৌথ প্রচেষ্টা এবং দিঘাপতিয়ার জমিদার পরিবারের সদস্য শরৎ কুমার রায়ের অর্থানুকূল্যে ১৯২৩ সালে পাহাড়পুর ঢিবিতে পুনরায় প্রত্নতাত্ত্বিক খননকাজ শুরু হয়। পরে ১৯২৫ থেকে ১৯২৬, ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৪ এবং স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ কর্তৃক পাহাড়পুর দ্বিতীয় পর্যায়ে খননকাজ শুরু হয়। ১৯৮৭ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত খনন করে আবিষ্কৃত হয় আজকের পাহাড়পুরের বৌদ্ধবিহার। পাহাড়পুরের বৌদ্ধবিহারের সীমানা এত বিস্তৃত এলাকাজুড়ে য, এদিক থেকে ওদিকে ঠিকমতো দৃষ্টি যায় না। দু একদিনের মধ্যে তা সব দেখেও শেষ করার জো নেই। তাই সে এক বিস্ময়।
ছেলে-বুড়ো, স্বামী-স্ত্রী, শিশু-কিশোরসহ আমরা প্রায় শ খানেক চুয়াডাঙ্গার মানুষ পাহাড়পুরের বৌদ্ধবিহার ঘুরে ফিরে দেখছিলাম। বিশাল বৌদ্ধ মন্দিরের চৌহদ্দিতে আমরা কে কোথায় যেন হারিয়ে গেলাম। সেখানে একে অপরকে খুঁজে পাওয়াই দুষ্কর। এই বৌদ্ধবিহার এতই সুবিশাল যে, মন্দিরের চূড়ায় ওঠা মানুষগুলোকে নিচ থেকে পিঁপড়ের মতো মনে হয়। মন্দিরের চারপাশ ঘুরে দেখতে দেখতে কখন যে দু-তিন ঘণ্টা কেটে গেল বুঝতেই পারিনি। অথচ ওই বৌদ্ধবিহারের কিছুই দেখা হয়নি। কিছুই ঘোরা হয়নি। উপলদ্ধি আর অনুধাবনও করতে পারিনি বুক ভরে। ইচ্ছে করে বার বার ছুটে যাই পাহাড়পুরে। আমরা কয়েকজন অনেক চেষ্টা করে বিহারের শীর্ষে উঠলাম। বন্ধু আশা’র কাছে স্টিল ক্যামেরা ও ভিডিও ক্যামেরা ছিল। সে অনেক দৃশ্য ভিডিও ধারণ করলো। সোজিরও অনেক ছবি তুললো তারা। কয়েকদিন লাগবে এ বিহারের সব জায়গা ঘুরে দেখতে। বিহার এলাকায় আমাদের সাথে যারা ছিল, অনেককেই হারিয়ে ফেলেছি। কে কোথায় আছে খুঁজে পাচ্ছিলাম না। মোবাইলে যোগাযোগ হলো। দেখতে দেখতে বেলা পড়ে যাচ্ছে সে কথা মাথায়ই নেই। খিদের কথা যেন মনেই নেই। না। একদিনে আর কী দেখবো। ইচ্ছে হয় বারবার আসি এখানে। নয়ন ভরে দেখি পুরাকীর্তি বৌদ্ধবিহার আর বুক ভরে ভরে নিঃশ্বাস ছাড়ি। তখন সূর্য গড়িয়ে বিকেল। তড়িঘড়ি করে ছুটে গেলাম পাহাড়পুরের জাদুঘরে। জাদুঘরের প্রবেশমূল্য ৫ টাকা।
পাহাড়পুর মহাবিহারের প্রাপ্ত বিভিন্ন ধরনের প্রত্নসামগ্রী প্রদর্শনের উদ্দেশে বিহারের পূর্ব দিকে ১৯৫৬-৫৭ সালে একটি ক্ষুদ্রাকার জাদুঘর নির্মিত হয়। ৪টি প্রদর্শনীকক্ষসহ এ জাদুঘরে সোমপুর মহাবিহার, তারা মন্দির ও বাংলাদেশের অন্যান্য এলাকাসমূহ যেমন- মহাস্থান, ময়নামতি, গৌড় ইত্যাদির প্রত্ননির্শনাদি প্রদর্শিত হচ্ছে। সোকেসগুলোতে সাজানো আছে প্রত্নস্থল থেকে প্রাপ্ত কৃষ্ণের অশুর বধ, বলরাম, ইন্দ্র যম, প্রস্তরলিপি, মিথুন, গণেশ, নরমূর্তি, শিবলিঙ্গ, বিষ্ণু, শিব-পার্বতী, উমা-মহেশ্বর প্রস্তেরমূর্তি, ব্রঞ্জের কলস ইত্যাদিসহ কোটি কোটি টাকার প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। জাদুঘরের মধ্যে ছবি তোলা নিষিদ্ধ। তাই ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও ওই সব মহামূল্যমান নিদর্শনের ছবি ওঠাতে পারলাম না।
স্বাধীনতার পরপরই ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ সরকার ইউনেস্কোকে অনুরোধ জানায়, পাহাড়পুর মহাবিহার পুরাকীর্তির সংরক্ষণকাজে আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য। ফলশ্রুতিতে ১৯৮৩ সালে প্রত্নস্থলটি সংস্কার ও সংরক্ষণের জন্য দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের দ্বারা একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। ১৯৮৫ সালে প্রত্নস্থলটি বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য (World Cultural Heritage) এর অন্তর্ভুক্ত হয়। ফলে পাহাড়পুর মহাবিহার কেবল বাংলাদেশের ঐতিহ্য নয়, এটা এখন সমগ্র বিশ্বের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য।
জাদুঘর দেখার পরপরই খাওয়ার পালা। কিন্তু আমি পড়লাম বেকায়দা অবস্থায়। ভ্রমণে খাওয়া দাওয়ার কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়নি। যার যার ব্যবস্থা তার তার। পাশের কয়েকটি হোটেলে গেলাম। খাবার শেষ। কেউ কেউ খাবার নিয়ে গিয়েছিল। সোজি অন্যদের মধ্যে খেয়ে নিলো। আমার অবস্থা ত্রাহি ত্রাহি। দূরের কোনো হোটেলে যাওয়ারও সুযোগ নেই। পাহাড়পুর মফঃস্বল এলাকা। বিধায় সেখানে নামীদামি কোনো হোটেল নেই। কোনো বাজারঘাটও নেই। বাস ছেড়ে যাবে কিছুক্ষণের মধ্যেই। ফলে আমার খাওয়া হলো না। কিছু শুকনো খাবার আর পানি খেয়ে খিদের জ্বালা মেটানো হলো। এবার বগুড়ার মহাস্থানগড় দেখার পালা। সবাই বাসে উঠলে বাস ছুটলো সেদিকে।
২৬.৩.২০০৬ খ্রি. চুয়াডাঙ্গা
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন