এসেছিলে জানি আঁধার
মাড়িয়ে অপরূপ এই দেশে
বনবনানীর ছায়া তরু মাঠ নদ নদী ভালোবেসে
লেখালেখি করে জগত বানিয়ে তুলেছো সেখানে ঘর
আখরে আখরে খাতা-কলমের হলে সেরা জাদুকর।
নাটক সিনেমা গল্প কবিতা উপন্যাস ও গান
যেখানেই খুঁজি সেখানে তোমার ভুরিভুরি অবদান
লাখো পাঠকের মনের গভীরে গোপনে বেঁধেছো বাসা
কেউ কি পেয়েছে কানায় কানায় এতসব ভালোবাসা?
বইয়ের পাতায় উজল উজল কত যে লেখার হাসি
অমর কীর্তি রয়েছে অমর হয়ে রাখালের বাঁশি
সব লেখাতেই সাহস যোগায় নির্মল করে মন
বাঙালি বাঙালি এক হয়ে তাই গড়ে তোলে বন্ধন।
সুবাস ছড়ালে চুপিসারে হয়ে কামিনী গোলাপ ফুল
যত প্রেরণার মধু ঢেলে দিয়ে ভরালে পাঠককুল
চুপি চুপি কেন আড়াল হয়েছো আমরা হারাই দিশে
রয়েছো তা বেশ আমাদের মাঝে একাকার মিলেমিশে।
আমাদের কাছে আগেও ছিলে যা তেমনই আছো তুমি
হারিয়ে তোমায় একা একা হয়ে বাঁচে কি জন্মভূমি
সকলের প্রাণে জুড়ে দিলে প্রাণ তাই মোটে নেই খেদ
চিরকাল তুমি চিরজীবী হলে হুমায়ূন আহমেদ।
২৯ জানুয়ারি ২০১৩
দৈনিক মাথাভাঙ্গা অফিস, চুয়াডাঙ্গা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন