শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬

কাব্যর ছুন্নতে খৎনা

চুয়াডাঙ্গা কোর্টপাড়ার বনানী বাড়ির ছাদের ওপর কাব্য


আজ (15.12.2011) আমার একমাত্র ছেলের ছুন্নতে খৎনা। এ কারণে স্কুল থেকে ছুটি নিয়েছিলাম। বেলা ১১টার দিকে ছুন্নাতে খৎনা দেয়ার জন্য কাব্যকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাই। সাথে যায় সহধর্মিণী ফরিদা খাতুন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কাব্যকে ওটিতে ঢোকানো হয়।

ওর অস্ত্রোপচারের সময় কাব্যর মা ফরিদা খাতুন এবং আমিও অপারেশন থিয়েটারে ছিলাম। অপারেশ করেছিলেন চুয়াডাঙ্গার খ্যাতিমার চিকিৎসক চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সার্জিক্যাল কনসালটেন্ট ডা. ওয়ালিউর রহমান নয়ন।

কাব্যকে কোলে নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে একটু বিপত্তি ঘটেছিল। ওকে কোলে নেয়ার ফলে আমি সিঁড়ি দেখতে পাচ্ছিলাম না। এ কারণে পা পিছলে পড়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল।

খুবই আশঙ্কাজনকভাবে রেহাই পেয়েছিলাম। বেকায়দা হয়ে গেলে কী না অবস্থা হতো তা আল্লাহই ভালো জানেন।
ওর ছুন্নতে খৎনা দেয়ার কথা শুনে আমার মা সাকিমা বেগমও গ্রামের বাড়ি কৃষ্ণপুর থেকে চুয়াডাঙ্গায় এসেছিলেন।

এসেছিলেন আমার শাশুড়ি নাসিমা খাতুনও।
কাব্যকে চুয়াডাঙ্গা কোর্টপাড়ার ভাড়াবাড়ি বনানী বাড়িতে নিয়ে আসার পর তাকে ছাদে রোদে নেয়া

হয়। সে যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকে। আধাঘণ্টারও পর সে একটু শান্ত হয়।
কদিন পর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠে কাব্য


লেখা ও ছবি সংগ্রহ: কাব্যর আব্বু আহাদ আলী মোল্লা





 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন