সবুজ গাঁয়ের একটি অবুঝ ছেলে
গাছের ছায়ায় বসে বাজায় বাঁশি
উদাস-বাউল তার দুটো চোখ মেলে
দেয় ছড়িয়ে মধুর মধুর হাসি।
সেই ছেলেটা রাখাল রাজা মাঠে
তার বাজানো বাঁশির সুরে সুরে
মাঠের লোকের সময় অনেক কাটে
উতলা সুর যায় ভেসে রোদ্দুরে।
রাখাল রাজা চরায় মাঠে গরু
চেয়ে থাকে উদার আকাশ পানে
মাঠে মাঠে দোলে ফসল-তরু
মিঠেল হাওয়া সুর তোলে তার কানে।
এ সুর নিয়ে বাঁশিতে সে বাঁধে
কণ্ঠে নিয়ে মনের মতো তোলে
আবেশভরা গলাতে সুর সাধে
সুর যেন নয় করুণ ব্যথা দোলে।
নিকেল রোদের বিকেল চলে আসে
বাঁশিটা যায় আপন মনে থেমে
গরুর পালও মুখ রাখে না ঘাসে
আবীর রঙে সন্ধ্যা আসে নেমে।
০৩/৯/১৯৯৭ খ্রি., কৃষ্ণপুর।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন