তার হাসিতে জোছনা ঝরে ঝরে চাঁদের কণা,
একটুখানি ভাবলে তাকে হই আমি উন্মনা।
হরিণ হরিণ চোখ দুটো তার শোনায় কিসের বাণী,
সংগোপনে কী কারণে দেয় শুধু হাতছানি।
মায়াভরা মুখখানা তার ছড়ায় মায়ার জ্যোতি,
রূপকথারই রাজ্যে যেন সে এক রূপবতী।
কপোলে তার ঝিলিক মারে রোদের মিহি দানা,
ভাবনা জাগায় উতল মনে হৃদয়ে দেয় হানা।
তার পানে চাই যখন আমি সব বেদনা ঘোঁচে,
সুখের কপোত মনগগনে যায় উড়ে আলগোছে।
সে যে আমার ভালোলাগার সুখের তিলক রেখা,
বর্ষাদিনের বিকেল বেলা হঠাৎ দিলো দেখা।
পুলক জাগে বুকের ভেতর যেই দেখি তার হাসি,
হরষে মন নেচে ওঠে সুখের ভেলায় ভাসি।
কোন্ লগনে কোথায় কখন দেখবো আবার ওরে
ছন্নছাড়া মনটাকে আর যায় না রাখা ধরে।
অবুঝ মনের নিঝুম দ্বীপে ঠাঁই দিয়েছি তাকে,
যাকে নিয়ে মনটা ভালোবাসার ছবি আঁকে।
যে এসে আজ রাঙিয়ে দিলো হৃদয় ধরাধাম,
সকাল বিকেল জপ করি সেই মুক্তা মেয়ের নাম।
০৮.৮.০৭ খ্রি. বনানীবাড়ি, কোর্টপাড়া, চুয়াডাঙ্গা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন