দামুড়হুদার বাঘাডাঙ্গায় আমার শ্বশুরবাড়ি,
সেথায় আমার পোতা আছে ভালোবাসার হাড়ি।
ইচ্ছে হলেই তাই ছুটে যাই মায়া নাড়ির টানে,
এদিক ওদিক ঘুরি-ফিরি স্বপ্ন মধুর গানে।
বাড়ির পাশে ভৈরব যায় সারা বছর বয়ে,
সে মিশে যায় মাথাভাঙ্গায় আপনহারা হয়ে।
দুই পাশে তার সবুজ ধানে বাতাস করে খেলা,
গাছে গাছে পাতার ফাঁকে ফুলপাখিদের মেলা।
নীলকরদের কুঠিবাড়ি শ্বশুরবাড়ির কাছে,
আজও সেথায় খোদ ব্রিটিশের অনেক স্মৃতি আছে।
বাঘাডাঙ্গার মানুষগুলো খুবই সরল সোজা,
এই গাঁয়ে না এলে সেসব যায় না মোটে বোঝা।
শ্বশুরবাড়ির আদর সোহাগ পরান ভরে পাই,
পিঠেপুলি ভাজাপোড়া তৃপ্তি করে খাই।
আমি হলাম জামাই বাবু সবাই আদর করে,
সবার সাথে ভাব রাখি তাই অন্তরে অন্তরে।
শ্বশুরবাড়ির টিনের চালায় মজা করেই থাকি,
ছোট্ট ঘরে হাসি খুশি বেজায় পাকাপাকি।
শ্বশুরবাড়ির সব মানুষের মনটা উদার বড়,
আমি গেলে আদর সোহাগ এক কাড়ি হয় জড়ো।
১৮.১০.০৭ খ্রি. শ্বশুরবাড়ি, বাঘাডাঙ্গা, দামুড়হুদা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন