সাতসকালে কলমি কুমুদ শাপলা কমল ফোটে
জল কল্লোল বিলের ধারে মাছরাঙাদের মেলা
ঝাঁকে ঝাঁকে হরেক রকম মাছরা করে খেলা
থালা থালা পদ্মপাতা আনমনে যায় হেসে;
আমার সোনার দেশে।
সবুজ শ্যামল বনবনানী ছুঁয়ে বাতাস দোলে
সেই বাতাসই ক্ষেতের মাঠে উতলা ঢেউ তোলে
গাছগাছালি দেয় মাতিয়ে হাজার বুনো পাখি
কিচির মিচির নানান সুরে মধুর ডাকাডাকি
মা পাখিরা ছানার মুখে চুমকুড়ি দেয় এসে;
আমার সোনার দেশে।
ছন্দ তুলে নদ-নদীরা এঁকেবেঁকে চলে
সাগর তাদের কানে কানে মনের কথা বলে
জোয়ার-ভাটা ঢেউয়ের খেলা দেখি তাদের বুকে
ঘোর কুয়াশা দিগন্তে চুপ ঘুমায় মহা সুখে
নীল পাহাড়ের ঝরনাধারা দূর অজানায় মেশে;
আমার সোনার দেশে।
দিন কেটে যায় গভীর স্নেহে আশিস ঢালে রাতে
চাঁদের বুড়ি দেয় ভরিয়ে মায়াবী জোছনাতে
নীল গগনের নীল জমিনে লক্ষ তারার ঝাঁকে
দেয় মিটমিট আলোর কুচি বিলিয়ে চাঁদমাকে
মেঘের পরী ডানা মেলে যায় অজানায় ভেসে;
আমার সোনার দেশে।
০৩.১২.২০০৮ খ্রি. বনানীবাড়ি, কোর্টপাড়া, চুয়াডাঙ্গা।
০৩.১২.২০০৮ খ্রি. বনানীবাড়ি, কোর্টপাড়া, চুয়াডাঙ্গা।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন