কোনো কারণ ছাড়াই মনটা খারাপ। কিছুই যেন ভালো লাগছে না। কোনো কোনো কষ্টের কথা কাউকে বলা যায় না। এমন কিছু হলো নাকি। না। তাওতো খুঁজে পাচ্ছি না। তবে মিছেমিছে মন খারাপ কেন? নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করি উত্তর মেলে না। ছুটিতে বাইরে যাইনি দুদিন। এ জন্যেও হতে পারে হয়তো বা। ঈদের ছুটি কাটিয়ে মাথাভাঙ্গা অফিসে যাইনি। শরীরটাকে যেন বাগ মানাতে পারছি না। বেবাগা মনটাও তেমনি হয়েছে। সে যে কী ভাবে নিজেই জানে না। বয়স বেড়ে যাচ্ছে। চোখে অনেক কিছুই আগের মতো ঠাওর করতে পারিনে। কোনো কোনো সময় একশ পাওয়ারের চশমা এটে দেখতে হয়। ভাবনা আসে আমিও দিনে দিনে প্রদীপের মতো ফুরিয়ে আসছি। পৃথিবীর রঙ-রূপ যেমনি ফিকে হয়ে যায়, তেমনি মানুষও বিদায়ের প্রস্তুতি নেয়। ভাবনা আসে। দেখতে দেখতে চল্লিশ পার করে ফেলেছি। এইতো ছেলেবেলা। এইতো বিয়েশাদি। আবার সংসার। অভিভাবকের দায়িত্ব পালন। তারপরে বার্ধক্যে চলে যাওয়া। লেখালেখি করতে চাই অনেক। কিন্তু সময় যেন পাচ্ছি না। দৈনন্দিন কাজের ফাঁকে কুলিয়ে উঠতে পারে না সময়। আবেক-অনুভূতি দিয়ে অনেক কিছু দেখি, সেগুলো কলমের টানে এঁকে যেতে চাই। তাইতো সময়ের কাছে মিনতি জানাই বারবার। আমার কাছে আরো কিছুদিন থাকো। বাকি লেখাজোখার কাজগুলো সেরে নিই। এসব নানান ভাবনায় সময় যায়। একটি ওয়েব সাইটে নিজের লেখাগুলো অবসরে পোস্ট করি। সেখানে হাজার হাজার টিপ্পনীর মধ্যে শতাধিক পোস্ট করেছি। একটি লেখা পোস্ট করতে বেশ সময় লাগে। তাই আজ ওয়েব সাইটে দিনভর পোস্টের কাজ করলাম। ইতোমধ্যে ছড়া, কবিতা, ছোটগল্প, ভ্রমণ কাহিনী, টিপ্পনী দিয়ে ৬ শতাধিক পোস্ট দিয়েছি। চেষ্টা করছি জীবনের সব লেখাই সেখানে দিয়ে দেবো। দিনভর চুয়াডাঙ্গা কোর্টপাড়াস্থ বনানী বাড়িতেই কাটালাম। এটা আমার ভাড়ার বাসা। সহধর্মিণী ফরিদার আজ অফিসে অফ ছিল। তাই ছেলে-মেয়ের সাথে দিনটা ভালোই কাটলো। নিজের মোবাইলফোনগুলো বন্ধ রেখেছিলাম। ফলে সন্ধ্যার পরেও ফরিদার মোবাইলে কয়েকজন চেষ্টা করেছে আমাকে পেতে। কিন্তু আমি আজ কারোর সাথেই যোগাযোগ করিনি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন