বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১১

১৪ সেপ্টেম্বর ২০১১

            তখনো বিছানায় গা এলিয়ে দিয়ে আছি। অনেক কিছু ভাবছি। হঠাত মনে হলো চুয়াডাঙ্গা জেলার স্মরণীয় বরণীয় যারা তাদের জীবনী সংগ্রহ করে ওয়েবসাইটে রাখা যায়। তাতে যেমন স্মরণীয় ব্যক্তিরা চির ভাস্বর হয়ে থাকবেন। তেমনি কারো প্রয়োজনে ওয়েবসাইট থেকে জীবনঘনিষ্ঠ সব তথ্য ডাউনলোড করে নিতে পারবে। একদিন এই তথ্যই হয়তো ইতিহাস হয়ে যাবে। যারা আমাদের সমাজের নামকরা বক্তিত্ব তাদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এ কাজটি করা যায়। তারা যখন থাকবেন না, তখন এসব তথ্য আমাদের কাজে আসবে। কাজটি কষ্টের হলেও তথ্যভিত্তিক। মাথায় ঢুকেছে যখন, অবশ্যই শুরু করবো। বিছানায় শুয়ে শুয়েই সিদ্ধান্তটা এক্কবারে পাকাপোক্ত করে ফেললাম।
            স্কুলে ঢুকে যশোর শিক্ষা বোর্ডের একটি চিঠি পেয়ে মন খারাপ হলো। বোর্ডের নিবন্ধন বিভাগ থেকে সৃজনী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠ বরাবর একটি চিঠি ইসু করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে ২০১০ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফিসের হিসাবে মিল না থাকায় এ চিঠি ইসুর ১০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগচপত্র নিয়ে হিসাব মিল করার জন্য অনুরোধ করা হলো। অনেক খুঁজে খুঁজে কাগজপত্রগুলো পাওয়া গেল। স্কুলের কয়েকজন শিক্ষক কাগজপত্র খোঁজায় সহযোগিতা করলেন। তবে কাগজপত্রগুলো পাওয়ায় মনটা বেশে ভালো হয়ে উঠলো। স্কুলের কাজ শেষ করে মুন্সিগঞ্জ পশুহাট চত্বরে গেলাম সামান্য কাজে। চুয়াডাঙ্গা বাসায় ফিরে খাওয়া দাওয়া সেরে খানিক ঘুমিয়ে নিলাম। ঘুম অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন বিকেলে আমাকে দেড় থেকে দু ঘণ্টা ঘুমোতে হয়। না হলে সারারাত জেগে মাথাভাঙ্গায় কাজ করতে পারি না। মাথা-মগজ ঠিক না থাকলে লেখায় মনোনিবেশ করা যায় না। সন্ধ্যায় মাথাভাঙ্গা দপ্তরে গিয়ে হাজির হয়ে দায়িত্ব পালন। রাত দুটোর দিকে কাজ শেষ করলাম।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন