একটা চিঠি পাঠিয়ে দিলাম মুন্নি তোমার নামে
দখিন হাওয়ার প্রথম ডাকে মেঘের ভেজা খামে
শুকতারা যেই চাঁদের সাথে হাসবে মিটিমিটি
তখন তুমি পেয়ে যাবে এই বেচার চিঠি।
অনেক করে বলে দিলাম উড়ো মেঘের কাছে
যেথায় আমার গোলাপমুখী মিষ্টি মেয়ে আছে
তার কাছে তুই এই চিঠিটা পৌঁছে দিবি নাকি
দোহাই লাগে এই ছেলেকে দিসনে মোটে ফাঁকি।
আমার কথায় সেই উড়ো মেঘ নামিয়ে দিলো ডানা
হাত বাড়িয়ে দিলাম তাকে সবুজ চিঠিখানা
কান্না হাসির জলে ফেলে বাড়িয়ে গেল জ্বালা
আমার গলায় পরিয়ে গেল শতেক দুখের মালা।
এসব কথা দিয়েই আমার হয়তো চিঠির শুরু
বুঝবে কিনা চিঠির ভাষা মনটা দুরু দুরু
চিঠির লাইন পড়বে যখন একটা কি বা দুটো
দেখতে পাবে আমার বুকের কষ্ট মুঠো মুঠো।
এই কষ্ট বাড়িয়ে বুকে সেই যে গেলে কবে
করলে হিসেব বুকের জ্বালা পাহাড় সমান হবে
এতো কথা কী হবে আর আজকে এখন বলে
চিঠির কথা চিঠিতে থাক বলবো দেখা হলে।
ঈশ্বরচন্দ্রপুর, দর্শনা, চুয়াডাঙ্গা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন