বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

১২ ফেব্রুয়ারি ২০১২

১২ ফেব্রুয়ারি ২০১২
৩০ মাঘ ১৪১৮
১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৩
রোজ : রোববার
            চুয়াডাঙ্গা সরকারি ভি.জে স্কুলমাঠ মানে চাঁদমারী মাঠ। আমরা কোর্টপাড়ায় থাকি বিধায় ওই মাঠ একেবারেই আমাদের বাসার পাশে। আজ ওখানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এমপি-১ মাইওয়ান গোল্ডকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টর ফাইনাল খেলা। এ খেলায় অংশ নেয় শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র ও উল্কা ক্রীড়াচক্র। শেখ রাসেল এতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। ওখানে আমার আমন্ত্রণ ছিল। কিন্তু সময়ের অভাবে যাওয়া সম্ভব হলো না। ঘরে বসে বসেই ধারাভাষ্য শুনে বুঝছিলাম কোন দলের কী অবস্থা। কিছু কাজ করতে করতে পড়ে আছে সময়ের কারণে ওগুলো করতে পারছি না। সকাল থেকে বসে ওইসব কাজই করছিলাম। এরমধ্যে আবার কিছু উটকো ফোনের ঝামেলা আছে। সেগুলোও সামাল দিতে হয় বৈকি। বিকেলে খেলার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী ও রানার আপ দলের মধ্যে পুরস্কার তুলে দেন।
            বসন্তের প্রথম দিন আজ। অর্থাৎ ফাল্গুন মাসের প্রথম দিন। ফাগুন এলেই যেন কোনো ভালোবাসার কথা মনে পড়ে যায়। মনে পড়ে অনেক বসন্তের কথা। জীবনে অনেক বসন্ত পার করে এসে আরেক বসন্তের দোয়ারে আমি। বসন্তের আগমনে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি গান বেশি বেশি মনে করিয়ে দেয় বসন্তকে। আহা আজি এ বসন্তে এত ফুল ফুটে এত বাঁশি বাজে এত পাখি গায়’। সব বাঙালির মনের মাঝে বসন্ত এসে যখন উঁকি দেয়। তখন সবাই তখন ওই গানটি একবার গুনগুন করে গেয়ে ওঠে। আমিও ওই গানটি গুনগুন করে গাইছিলাম আর টিপ্পনী সংগ্রহের কাজ করছিলাম। সকাল থেকে একটনা বিকেল ৩টা পর্যন্ত কাজ সেরে তারপর বিরতি। সন্ধ্যায় মাথাভাঙ্গায় কাজে যোগ দিই।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন