আমার যদি দুটি ডানা থাকতো পাখির মতো;
ভীষণ মজা হতো-
বনবনানী ঘুরে অনেক অনেক দূরে
উড়াল দিয়ে হারিয়ে যেতাম সুদূর অচিনপুরে
ধূসর খাঁ খাঁ গহীন গিরি বেবাক জানা হতো
আমার যদি দুটি ডানা থাকতো পাখির মতো।
পাখির মতো আমার যদি দুটি ডানা থাকতো;
আকাশ আমায় ডাকতো-
নিটোল চাঁদের মাঠে তারার হাটে হাটে
খুঁজতে যেতাম মুক্তা মানিক কল্পপুরীর ঘাটে
আমায় তখন ঘরের কোণে কে আর বেঁধে রাখতো;
পাখির মতো আমার যদি দুটি ডানা থাকতো।
থাকতো যদি পাখির মতো আমার দুটি ডানা;
কে শোনে কার মানা-
বাতাস ফুঁড়ে ফুঁড়ে ছন্দে যেতাম উড়ে
মুক্ত স্বাধীন বাঁধন হারা হতাম আকাশজুড়ে
দিতো আমায় হাতছানি রোজ গগন সামিয়ানা;
থাকতো যদি পাখির মতো আমার দুটি ডানা।
যদি আমার পাখির মতো থাকতো ডানা দুটি
খেতাম লুটোপুটি-
দুঃখ-জ্বালা ফেলে খুশির আবেশ ঢেলে
শুকসারিদের সঙ্গে যেতাম হাওয়ার পেখম মেলে
গোলক ধাঁধাঁর জীবন থেকে নিতাম বিদায় ছুটি
যদি আমার পাখির মতো থাকতো ডানা দুটি।
দুটি ডানা পাখির মতো থাকতো আমার যদি;
যেতাম নিরবধি-
অচেনাদের দেশে মেঘের মতো ভেসে
দু’চোখ মেলে পাড়ি দিতাম মধুর মধুর হেসে
অরণ্য দ্বীপ মরুভূমি পাহাড়-সাগর নদী;
দুটি ডানা পাখির মতো থাকতো আমার যদি।
২৮.০২.২০১২ খ্রি. বনানীবাড়ি, কোর্টপাড়া, চুয়াডাঙ্গা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন