গোপনে গোপনে যার কথা ভেবে তুমি আজ বড় কবি
জীবন বিলিয়ে কবিতা-ছড়ায় এঁকে গেলে যার ছবি
মনের মুকুরে স্মৃতি জড়ো করে আছো দেবদাস হয়ে
পাথরের মতো নীরব হয়েছো জ্বালা-ব্যথা সয়ে সয়ে।
বুকের জমিনে যাকে নিয়ে তাজ মহল গড়েছো তুমি
হারিয়েছো তাকে চারিদিকে তাই হাহাকার মরুভূমি
যুগ যুগ ধরে ভালোবাসা দিয়ে দু চোখ বানালে নদি
লুকিয়ে লুকিয়ে পথ চেয়ে কার কেঁদে গেলে নিরবধি।
কোন মমতার হাতছানি আজও বার বার পিছু ডাকে
বেভোলা এ মন কোথায় হারাও অজানার বাঁকে বাঁকে
মনের সাগরে কষ্টরা করে ডুব-সাঁতারের খেলা
পাগলের বেশে আতিপাতি করে খোঁজো কাকে সারাবেলা
তার হাসি মুখ দেখতে পরান বার বার শুধু টানে
আশিস সোহাগ দিলে মন ভরে কেন চাও প্রতিদানে
কেঁদে কেঁদে কত বছর গড়ালো কত কথা হলো জমা
আকাশে পাতালে চোখ-কান রাখো এলো বুঝি প্রিয়তমা।
মধুময় প্রেম বেদনা বিধূর হয়ে দেখা দিলো কী যে
তিল তিল করে শুকিয়ে শুকিয়ে ক্ষয়ে শেষ হলে নিজে
কাঁদে না কাঁদে না স্বাভাবিক হও মন-প্রাণ খুলে হাসো
কষ্ট দিয়েছে তাও তাকে তুমি বার বার ভালোবাসো।
২৫.০২.২০১২ বনানীবাড়ি, কোর্টপাড়া, চুয়াডাঙ্গা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন