১৪ মার্চ ২০১২
৩১ ফাল্গুন ১৪১৮
২০ রবিউস সানি ১৪৩৩
রোজ : বুধবার।
বিদ্যালয়ের ফাইল ঘাটাঘাটির কাজে যখন ব্যস্ত ছিলাম ঠেক সেই মুহূর্তে ফোন দিলো সাংবাদিক মরিয়ম শেলী। চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার কাশিপুরে যেতে হবে একটি সাংবাদিক সম্মেলনে। সন্তোষপুর-আন্দুলবাড়িয়া সড়কের দেহাটির সরকার ইটভাটার মালিক সাবেক সেনা সদস্য হাজি নাসির উদ্দিন সরকারকে (৫৮) ২০১২ খ্রিস্টাব্দের ১২ মার্চ সন্ধ্যায় ইটভাটায় দুর্বত্তরা কুপিয়ে খুন করে। নাসির উদ্দিন সরকার পরিবার আকস্মিক একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে আজ বেলা ২টায়। ওখানে যেতে হবে বলেই শেলী ফোন দিয়েছিল। আমি বেলা ১টার দিকে স্কুল থেকে চুয়াডাঙ্গায় চলে গেলাম এবং বেলা দেড়টার দিকে মাইক্রোবাসযোগে ১২ জন সাংবাদিক জীবননগরের দেহাটিতে রওনা দিলাম। ইটভাটার অফিসঘরে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পরে নিহত সরকারের বাড়িতেও গেলাম আমরা। পরে মাইক্রোবাসের মধ্যেই খাওয়া দাওয়া শেষ করলাম। চুয়াডাঙ্গায় যখন ফিরলাম তখন বেলা ৫টা। দুর্গাপুরের বন্ধু আসাদ এলো বাসায়। ওকে ঘণ্টাখানেক সময় দিতেই সন্ধ্যা হওয়ার উপক্রম। একটু বিশ্রাম নিয়ে মাথাভাঙ্গা অফিসে চলে গেলাম। গতিধারা থেকে আমার দুটি বইয়ের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। স্নেহভাজন ইতিহাস গবেষক রাজিব আহমেদ খবরটা দিয়ে ঢাকায় এসে চূড়ান্তভাবে একবার দেখারজন্য বললো। যাতে বইয়ে কোনো ভুল না পাওয়া যায়। আমার ইচ্ছে ছিল না যাওয়ার। কিন্তু রাজিবের কারণে রাজি হয়ে গেলাম। বললাম আগামীকাল ঢাকায় আসবো।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন