পাড়া গাঁয়ের ছেলে আমি মনটা শাদাশিধে,
সাঁজ-সকাল নামাজ পড়ি গাঁর জামে মসজিদে।
কারোর সাথে কটু কথা হয় না গালাগালি,
তাই হয়ে রই মায়ের চোখে নতুন চাঁদের ফালি।
বাবা গাঁয়ের বড় চাষি আমি চাষির ছেলে,
ধান কাউনের আ’লে আ’লে বেড়াই হেসে খেলে।
বৃষ্টি বাদল কিংবা রোদে চরাই গরু মাঠে,
বিকেল বেলা গোসল করি মরা নদীর ঘাটে।
বুনো পাখির সঙ্গে রোজই মিতালি হয় কী যে,
হাওয়ায় দোলে বনবনানি মনটা হারায় নিজে।
হিজলবনে ঘুঘু ডাকে ডাহুক ডাকে বিলে,
ঝোপেঝাড়ে ছন্দ ছড়ায় হাজার পাখি মিলে।
যেই গাঁ হলো চির আপন সেই গাঁয়েতে থাকি,
পরস্পরে কেউ কখনো দিইনে কারো ফাঁকি।
হাসি-খুশি ভরা থাকে মনটা বারো মাস,
ফসল-ফুলের সাথে আমার নিত্য বসবাস।
২৬.৫.২০০২ খ্রি. কৃষ্ণপুর, নিজবাড়ি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন