সাতসকালে তবলা বাজে বাজে কাঁসর ঢোল,
কচিকাঁচা আর শিশুরা বাধায় মজার গোল।
বউ ঝিয়েরা আলতা পায়ে পরে নতুন শাড়ি-
হরেক রকম পিঠে পায়েশ বানায় বাড়ি বাড়ি।
আউশ চালের পানতাভাতের সঙ্গে কাঁচা ঝাল,
গায়ের মানুষ উদর ভরে খায় পুরো এক থাল।
পাড়ায় পাড়ায় জমে ওঠে মজার লাঠি খেলা,
দরগাতলা বটেরগোড়ায় বসে গ্রামীণ মেলা।
দুষ্টুমিতে মেতে ওঠে সব কিশোরের দল,
বেলুন বাঁশি কিনে তারা আনন্দে উচ্ছল।
নাগরদোলা ছন্দ তুলে ঘোরে মেলার মাঠে,
রাঙা ফিতে মাথায় বেঁধে কিশোরীরা হাঁটে।
নতুন দিনের আগমনে যায় পুরোনো দিন,
সরব সরব পরিবেশে সব কিছু রঙ্গিন।
গাছগাছালি বদলে ফেলে পুরোনো সব পাতা,
দোকান বাজার মুখর কেবল হালখাতা হালখাতা।
এলো এলো পয়লা বোশেখ মাতলো গোটা দেশ,
দেখা দিলো নতুন আমেজ নতুন পরিবেশ।
গ্রাম বাংলার কানাই কানাই ভরলো কলরবে,
সব ভেদাভেদ ভুলে মাতি বাঙালি উৎসবে।
১৪.৪.০৮ খ্রি. বনানীবাড়ি, কোর্টপাড়া, চুয়াডাঙ্গা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন