বিদঘুটে নাম তার
সারা দেহে হাম তার
চেনে না সে ঘুষ, কিল
তাকে নিয়ে মুশকিল
তাকে নিয়ে জ্বালা,
হিম্মতওয়ালা খুবই
হিম্মতওয়ালা।
কিল ঘুষি দুইটাই
খোলামাঠে ঠুইঠাই
মারে কিল বস্তায়
মাঝে মাঝে পস্তায়
যদি মেঘ চমকায়
ভয়ে ভাত কম খায়
মিছিলের শব্দে সে
ঘরে দেয় তালা,
হিম্মতওয়ালা খুবই
হিম্মতওয়ালা।
দেশে দেশে খুব যায়
পশ্চিম ও পুব যায়
চড়ে হেলিকপ্টারে
গিলে খায় চপটারে
মাসে মাসে ঘানা যায়
খোঁজ নিয়ে জানা যায়
ভিনদেশি লোক তাকে
কয় পালা পালা,
হিম্মতওয়ালা খুবই
হিম্মতওয়ালা।
কথা কয় ফটফট
রাগে দাঁত কটমট
তার ভারি রাগ মনে
মারে চিতা বাঘ বনে
দেখলেই ব্যাঙখানা
কাঁপে তার ঠ্যাংখানা
হাত থেকে পড়ে যায়
বাঘমারা ফালা,
হিম্মতওয়ালা খুবই
হিম্মতওয়ালা।
জ্বরে খায় মক্সিন
জলে মারে বকসিন
মুখে বড় বীর হয়
কাজে স্থির হয়
রাগে চোখ লাল করে
তিলকে সে তাল করে
বিল্লির গোঁফ দেখে
মুড়ি দেয় ছালা,
হিম্মতওয়ালা খুবই
হিম্মতওয়ালা।
কবিতা ও গান লেখে
স্বরলিপি-তান লেখে
কী দারুণ ভঙ্গিতে
সুর তোলে সঙ্গীতে
সে কি মোটে হার মানে
গান শেখে জার্মানে
সা রে গা মা গেতে গিয়ে
কানে লাগে তালা,
হিম্মতওয়ালা খুবই
হিম্মতওয়ালা।
হামবড়া ভাব তার
চোখে কী খোয়াব তার
মধুমাখা উক্তিতে
কয় কথা যুক্তিতে
শেষে হয় এলোমেলো
সম্মান গেলো গেলো
দর্শকে গেঁথে তাকে
দেয় জুতোমালা,
হিম্মতওয়ালা খুবই
হিম্মতওয়ালা!
কৃষ্ণপুর, চুয়াডাঙ্গা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন