শুক্রবার, ৩ জুন, ২০১১

ভালো লাগে বেশ


ভালো লাগে বেশ অবারিত মাঠ খড়-পাতা ঘেরা ঘর

খাল বিল ডোবা শাপলা কুমুদ সবুজের প্রান্তর

আঁকাবাঁকা পথ হাওর বাঁওড় হাজারো নদীর কূল

মাছরাঙা বক সারসের ঝাঁক পেঁজা পেঁজা কাশফুল।

 

ভালো লাগে বেশ অজপাড়া গাঁ'র মাঠে মাঠে ভরা ক্ষেত

নবান্ন আর সোনালি ধানের অাগমনী সংকেত

ফুল ফসলের তির তির ঢেউ পাখপাখালির গান

বনবনানীর মিতালি আবেশ ঝিঁঝিঁদের কলতান।

 

ভালো লাগে বেশ রামধনুকের ঝিকিমিকি রাঙা বোল

বুনো পাখিদের কানাকানি যত উল্লাস উতরোল

মৌমাছিদের গুনগুন ধ্বনি সবুজে আঁকানো বন

উতলা ফাগুন তারা মিটমিট ভোমরের গুঞ্জন।

 

ভালো লাগে বেশ জোনাকির দল জোছনা ছড়ানো চাঁদ

উলুঘাস নিয়ে মাতোয়ারা সেই মেঠো হাওয়া উন্মাদ

আসমানজুড়ে বিচরণ করা রঙিলা মেঘের ভাঁজ

সাগরের তীর টিলা পাহাড়ের সুনিপুণ কারুকাজ।

 

ভালো লাগে বেশ রাখালের মুখ গরু মহিষের পাল

কৃষকের মনে খামারের সুখ হাসি খুশি উত্তাল

ভালো লাগে এই মাটি ও মানুষ ভালো লাগে এই দেশ

পৃথিবীর সেরা সবুজের রাণী মধুময় পরিবেশ।

০৬ জুলাই ২০১০ খ্রি.

বনানীবাড়ি, কোটর্পাড়া, চুয়াডাঙ্গা।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন