পাঠশালা তার ভাল্লাগে না কোনো শাসন বারণ
সকল কিছুর মধ্যে কেবল খুঁজে বেড়ায় কারণ
আকাশ পানে দৃষ্টি হানে দু’চোখ ডাগর ডাগর
মন যেন তার কাব্যলেখা ছন্দ ছড়ার সাগর।
বাঁধনহারা ভাবুক সে খুব খায় না কারো ধমক
শিশুকালেই কাব্য লিখে লাগিয়ে দিলো চমক
নামকরা খুব বইয়ের পোকা মগ্ন সে এক পাঠক
লিখলো মেলা গান কবিতা উপন্যাস ও নাটক।
বাংলা ভাষার কবি হলেও ইংরাজি তার দখল
গুরু বলে মানেন তাকে দেশের কবি সকল
ছোট ছোট গল্প লিখে মন রাঙালো শিশুর
গীতাঞ্জলির মর্ম শাখায় ছড়িয়ে দিলো কী সুর!
কবিত্ব এক ভাবনা গভীর নেই চোখে তার পলক
দেখা দিলো নোবেল জয়ী বিশ্ব রবির ঝলক
লিখলো কতো দিকদর্শন তত্ত্বকথার চরণ
গড়লো আরো ব্যাকরণের নতুন ধারা-ধরণ।
মানবতার মানস কবি আমার তোমার স্বজন
এমন কবি এই দুনিয়ায় আছে বা আর কজন
সব বাঙালির মনের কবি কবি জোড়াসাঁকুর
প্রাণের কবি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
০৬.৬.২০১০ খ্রি. বনানীবাড়ি, কোর্টপাড়া, চুয়াডাঙ্গা।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন