বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১

০৭ সেপ্টেম্বর ২০১১

            রমজানের ছুটি শেষ। তবু অতিরিক্ত দুদিন বেশি করে স্কুল ছুটি দেয়া আছে। আগামী শনিবার থেকে স্কুল খুলছে। বেশ কাটলো একমাস। এসব ভাবছিলাম। ল্যাপটপে কয়েকটা পুরোনো দিনের বাংলা গান চাপিয়ে ধীরে ধীরে শুনছি। এরই মধ্যে স্কুলের অফিস সহকারী বিচিত্র কুমার বিশ্বাস ফোন দিয়ে জানালেন জেএসসি পরীক্ষার প্রিন্টআউটে কোনো ভুল নেই। তাছাড়া ভারত ভ্রমণে যাওয়ার ব্যাপারে ছুটি প্রয়োজন। বাসায় এলেন। প্রয়োজনীয় কাজ সেরে চলে গেলেন তিনি। আমার একমাত্র ছেলে আফরোজ গালিব কাব্য ও মেয়ে আফসানা সোজিরও স্কুল ছুটি। তবে প্রাইভেট পড়া চলছে দুজনেরই। তাদের সাথে অবসরে বেশ ভালোই কাটছে। দিনের কোনো কোনো সময় কাব্যর সাথে দাবা নিয়ে বসি। দাবা খেলতে ও খুব ভালোবাসে। কদিন ধরে দেখছি সোজিও ওর সাথে দাবায় বসছে।
            দিনের অধিকাংশ সময় জুড়ে কম্পিউটারে বসেছি। পুরোনো কয়েকটি কবিতার খাতা মিলিয়ে মিলিয়ে দেখলাম কবিতাগুলো ওয়েবসাইটে দেয়া হয়েছে কি না। ইচ্ছে হয়, আমার সামনে অফুরন্ত সময় থাকবে, মন খুলে লেখালেখি করবো। থাকবে না বাইরের কোনো চিন্তা। কিন্তু এমনটি হয়ে ওঠে না। আজ দিনভর বাইরে যাইনি। তবে মোবাইলফোনে বাইরের কারো কারো সাথে যোগাযোগ হয়েছে। কোনো দুঃসংবাদ কানে আসেনি। কোনো খারাপ সংবাদ শুনলে মনটা খারাপ হয়। এটা প্রত্যাশাও করি না। সমাজ ও দেশের মানুষ সবাই ভালো থাকুক। কোনো প্রতারকের যেন এ দেশে জায়গা না হয়। মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি এ দেশের সবাইকে তুমি সুখী করো। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মাথাভাঙ্গা অফিসে এলাম। প্রিয় সম্পাদক সরদার আল আমিন ঢাকায় থাকার কারণে নিজেকেই সামাল দিতে হলো কাজ। উনি থাকলে খুব ভালো লাগে। কোনো টেনশন থাকে না। মাথায়ও কিছু বোঝার মতো চেপে থাকে না।

1 টি মন্তব্য: