আগলে রেখে মা বুকের ভেতরে সারা মুখে দিয়ে চুমো;
বলেছে খোকন পরীদের সাথে মিতালি পাতিয়ে ঘুমো।
আমি যেন সেই স্বর্গের রাণী মা’র চোখে হীরা মনি
সোনা জহরত সপ্ত রাজার লাখো মানিকের খনি।
কাজল লতার কালি রোজ রোজ মাখিয়ে আমার চোখে
বলেছে খোকন কালি দিলে আর নজর দেবে না লোকে
গাঁর-মেলা থেকে এনে দিতো বাবা ঘড়াফুল ঝুমঝুমি
বলতো ও বাপ তুই যে আমার স্বপ্ন চাষের ভূমি।
হল্লা করেছি পাড়ায় পাড়ায় বাজিয়ে বাঁশের বাঁশি
ফুটেছে তখন মায়ের মুখেতে কত না মধুর হাসি
পাখির ছা দাও গাছ থেকে পেড়ে বায়না ধরেছি কতো
কুটি কুটি হাসি ঝরে যেত তাও মা'র মুখে অবিরত।
দু চোখে আমার পানি এলে মা তা মুছিয়েছে নিজ হাতে
শত জ্বালাতনে রাগেনিকো তারা কুলোবে এ কার ধাতে
কত ভালোবাসা মমতা সোহাগ আদরের ছিল দিন
বাবা ও মা তাই বুকের গভীরে হয়ে আছে অমলিন।
১৯৮৯ খ্রি. ঈশ্বরচন্দ্রপুর, দর্শনা, চুয়াডাঙ্গা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন