বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১১

০৬ সেপ্টেম্বর ২০১১


            মানুষ যখন অবসর জীবনে চলে যায় তখন কেমন করে দিন কাটে? এ ধরনের প্রশ্ন আমার মাথায় ঢুকলো, যখন কদিন বাসায় ছুটি কাটাচ্ছিলাম। মেহেরপুরে যাওয়া দরকার। দুদিন আগেই সিদ্ধান্তটা চূড়ান্ত করেছিলাম। সকালে দৈনিক মাথাভাঙ্গার মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি মহসিন আলীর কাছে ফোন দিয়ে আমার আসার বিষয়টি জানালাম। তিনি বললেন আমঝুপি মানব উন্নয়ন কেন্দ্রে দেখা করতে। মোটরসাইকেলযোগে সেখানে পৌঁছুলাম বেলা সাড়ে ১০টার দিকে। মউক পরিবারের সাথে আড্ডা। নির্বাহী প্রধান আশাদুজ্জামান সেলিমের সাথে কথা হয় অনেক। উনি বেশ ভালো মানুষ। বড় মনের মানুষ। এ ধরনের মানুষ সমাজের জন্যে অনেক কিছু করেন। যেভাবে তিনিও এগিয়ে যাচ্ছেন। তার মন আছে বলেই তার সামনের কঠিন কঠিন কাজগুলো অতি সহজ হয়ে যাচ্ছে। তিনি অবশ্যই সমাজ পরিবর্তনের জন্য একটা দৃষ্টান্ত। বয়সে নবীন হলেও বিজ্ঞতার পরিচয় দিয়ে এগিয়ে চলেছেন তিনি। এ কারণে সমাজের কিছু খারাপ মানুষের চোখে তিনি ভালো নন। তাদের স্বার্থে ব্যাঘাত ঘটে, না হলে স্বার্থটা উদ্ধার হয় না। সে কারণে অনেক সময় কিছু কিছু কুৎসা রটনার খবরও আমাদের কানে আসে। এরকম মানুষকে সহযোগিতা করা প্রয়োজন। অন্তর দিয়ে দোয়া করি তার জন্য। মউকে নাস্তা করে মহসিন ভাইয়ের সাথে মেহেরপুরে গেলাম। সেখানে বেশ কয়েকজন পুরোনো মানুষের সাথে সাক্ষাৎ হলো। তার মধ্যে ছিলেন ছড়াকার মহাসিন আলী। তিনি বেশ ভালো ছড়া লেখেন। নব্বই দশকের গোড়ার দিকে লেখালেখি দিয়েই তার সাথে আমার পরিচয়। মানুষটি বেশ আন্তরিক। ছোট একটা ব্যবসা করলেও খাঁটি একজন মানুষ তিনি। ওনার কাছে বেশখানিক বসে নতুন পুরোনো কিছু কথা বিনিময় হলো। দেখা হলো উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রুমানা আহমেদের সাথে। তার অফিসে বসেই খানিক আড্ডা চললো। ওনাকে আমি বড় বোনের মতো মনে করি। আমরা দুজন দু জেলার মানুষ হলেও যোগাযোগ আছে বেশ। হাতে সময় বেশি না থাকার কারণে দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যেই চুয়াডাঙ্গার উদ্দেশে রওনা হলাম। বাসায় ফিরে ঘুমিয়ে নিলাম। সন্ধ্যায় মাথাভাঙ্গা অফিসে ঢুকেই বুঝলাম সম্পাদক সরদার আল আমিন ভাই ঢাকায় যাবেন। সম্ভব আমার অনুপস্থিতির কারণেই এ কদিন তিনি যেতে পারেননি। পরে জানতে পারলাম ভোরের পরিবহনে টিকেট করেছেন। সঙ্গে যাচ্ছেন মাসুম ভাই। একজন আন্তরিক মানুষ। যার মধ্যে বন্ধুসুলভ আচরণের অভাব নেই।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন