কাজের ফাঁকে ফাঁকে গান শুনি। বিশেষ করে পুরোনো দিনের বাংলা আর হিন্দিগান আমাকে টানে। তালাত মাহমুদের গান শুনে শেষ করতেই যেন ডেকে বসেন আব্বাস উদ্দিন আহাম্মেদ আর আব্দুল আলিম। খাঁটি মাটির গান। ল্যাপটপে যখন কাজ করি তখনই অল্প সাউন্ড দিয়ে গানগুলো শুনি। মাঝে মাঝে দাবায় বসি। একটানা বসে কীভাবে কাজ করি এ নিয়ে নিজের স্ত্রীও প্রশ্ন তোলে। কাজ করি আপন খেয়ালে। একাগ্রচিত্তে কোনো কাজ না করলে জয়ী হওয়া যায় না। মুরব্বিদের কাছ থেকে এসব শুনেই কাজ করি আমি। আজ সংস্কৃতি যেন ডুবতে বসেছে। বিদেশি অপসংস্কৃতির জলে হাবুডুবু খাচ্ছে এ প্রজন্মের ছেলে-মেয়েরা। ব্যান্ড সঙ্গীত যখন কোনো মঞ্চে হয়, সেখানে কারোর মাথায় ঠিক থাকে না। শিল্পী কী গায় সেদিকে কারো খেয়াল থাকে না। এমনিতেই নাচে যুব সম্প্রদায়। মাঝে মাঝে লজ্জাও হয়। যখন দেখি বাংলা গান ইংরাজি স্টাইলে গাওয়া হচ্ছে। এমনভাবে বাংলা শব্দ বিকৃত করা হয়, যে ইংরাজি না বাংলা শব্দ তা বুঝতে হিমশিম খেতে হয়। এসব ভেবে ভেবেই কদিন কাটছে। আজও ছুটি আমার। শনিবার অর্থাৎ আগামী পরশু স্কুল খুলছে। তাই আজ বাইরে কোথাও যাইনি। পরিবারের সবার সাথে কাটালাম দিনটি। সন্ধ্যায় যথারীতি মাথাভাঙ্গা অফিসে যাই।
তালাত মাহমুদের গান আমাকেও খুা টানে । বিশেষ করে---"যে আখিতে এত হাসি লুকানো " আর "তোমারে লেগেছে এত যে ভালো "--এ গান দু'টি আমার ভীষণ প্রিয়।।
উত্তরমুছুন