রাত সাড়ে ৩টার দিকে ঘুমিয়েছিলাম। ফলে সকালে যখন ঘুম ভাঙলো, ঘটির কাঁটায় ৮টা ২০। তড়িঘড়ি করে মোবাইলফোনটা চালু করতেই কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তির ফোন। আমার গ্রামের মোশারেফ ফোন দিল। একটি মামলার ব্যাপারে কোর্টে অ্যাডভোকেট বেলাল হোসেনের সাথে দেখা করতে হবে। মোশারেফ আগেভাগেই আদালতে বসে আছে। আমিও নাস্তা সেরে এলাম। প্রয়োজনীয় কাজ সারা হলে স্কুলে রওনা দিলাম। অনেকদিন পর শিক্ষক-কর্মচারী আর শিক্ষার্থীদের সাথে দেখা হলো। আলাপ-আলোচনা শেষে শিক্ষকরা ক্লাসে গেলেন। দীর্ঘদিন ধরে বেসরকারি স্কুল-কলেজের ননএমপিও শিক্ষকেরা বেতনভাতা না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এ নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে আলোচনা হয়। সরকার শিক্ষাকে গুরুত্ব দেয়ার কথা মুখে বললেও বাস্তবে তার প্রতিফলন ঘটাচ্ছে না। জাতি ঘটনে শিক্ষকরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকেন। সেই শিক্ষকদের জন্য সরকার যদি না ভাবে তাহলে উন্নত জাতি আশা করি কীভাবে? সত্যিই অবাক লাগে সরকারের এ হেন আচরণ দেখে। শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড আর শিক্ষক জাতি গঠনের কারিগর। এই শিক্ষকদের কথা সরকারকে বারবার ভেবে দেখা দরকার। না খেয়ে আর কতোদিন এভাবে চলে?
স্কুল সেরে হেলাল ভাইয়ের আহবানে চুয়াডাঙ্গায় এলাম। অ্যাডভোকেট বেলাল ভাইকে ফোন দিলাম। উনি বাড়িতে চলে গেছেন বলে জানালেন। আদালত চত্বরে অনেক গুণী মানুষের সাথে দেখা হলো। হলো ভাবের আদান প্রদান। সন্ধ্যার পর সাংবাদিক ইসলাম রকিবের আমন্ত্রণ পড়লো তার নতুন বাড়িতে। ফিরে এসে দৈনিক মাথাভাঙ্গার কাজ সেরে নিলাম তাড়াহুড়ো করে। কাল ভোরে যশোর শিক্ষা বোর্ড অফিসে যেতে হবে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন