সকালে একবার দৈনিক মাথাভাঙ্গা অফিসে ঢু মেরে স্কুলে বের হলাম। কিছুক্ষণ পর মুন্সিগঞ্জের বন্ধুবর শাহার আলী এলেন। তার সাথে স্কুলের উন্নয়নের ব্যাপারে আলোচনা হলো খানিক। কাজ থাকায় মুন্সিগঞ্জ একাডেমীতে গেলাম। প্রধান শিক্ষক আতিয়ার রহমানের সাথে আলাপ আলোচনা হলো জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার বিষয়াদি নিয়ে। আধাঘণ্টা পর মুন্সিগঞ্জ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শঙ্কর কুমার পাত্রের সাথে ফোনে কথা হলো আতিয়ার ভাইয়ের। ফলে শঙ্কর দা’ চলে এলেন একাডেমীতে। চা চক্রের মাধ্যমে সময় কাটলো অনেক। বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা হলো আমাদের তিন প্রধান শিক্ষকের। আলোচনা হলো এমপিওভুক্তি নিয়ে। দীর্ঘদিন যাবত বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অসংখ্য শিক্ষক বেতন পাচ্ছেন না। কারণ তাদের প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত নয়। ২০১০ সালে দেড় হাজারের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়। দুঃখের বিষয় চুয়াডাঙ্গা-১ নির্বাচনী এলাকায় মাত্র ১টি নতুন প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়। সেসময় পবিত্র সংসদে দাঁড়িয়ে শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ বলেছিলেন। এ বছর কম প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হলো। আগামীবার অধিক সখ্যংক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে। কারণ শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে বেতনভাতা না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অবশ্যি এমপিওভুক্তির সুর উঠেও থেমে গেছে। পরে ২০১১ সালে এসে বলা হলো ১ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ব্যাপারে সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে ৩টি করে প্রতিষ্ঠানের নাম চাওয়া হয়েছে। কই মাননীয় মন্ত্রীর সে কথা ফললো কই? খুবই কষ্ট লাগে। সরকারের লোক যদি কথা দিয়ে কথা রক্ষা না করতে পারেন তাহলে আমরা কাকে কী বলবো!
রাত ৯টার দিকে ফেসবুকে আলী কদর পলাশ ভাইয়ের সাথে দীর্ঘক্ষণ চ্যাট করলাম। ওনার হাত ধরেই মূলত আমার দৈনিক মাথাভাঙ্গায় প্রবেশ। ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দে নতুন কুঁড়ির পাতা পরিচালনা করতে গিয়েই আজ আমি দৈনিক মাথাভাঙ্গার বার্তা সম্পাদক। পলাশ ভাই একজন উদ্যোগী মানুষ। আমি তার জন্য দোয়া করি। ওনাকে আমার এ জন্য আরো ভালো লাগে যে, সেই ৯১ সালে উনি আমাকে যেভাবে তুই তুই করে বলতেন এখনো। এক্কেবার খাঁটি ভালোবাসা যাকে বলে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন