কী যে মধুর আবেশে ভরা মিঠেল ভালোবাসা
ডাগর ডাগর দু চোখ তুলে মিষ্টি করে হাসা
জানি নাতো কিসের টানে ঘুরেছি একসাথে
কোন মমতায় আলতো করে হাত রেখেছি হাতে
জল থইথই করে দু চোখ মনে পড়ে যেই;
সেই তুমি আর নেই যে এখন, সেই তুমি আর নেই!
রাতের তারা মুচকি হেসে জ্বলতো মিটিমিটি
জেগে জেগে আমার কাছে লিখতে কত চিঠি
অনেক ক’বার পড়ে চিঠি জড়িয়ে নিতাম বুকে
সকাল দুপুর সন্ধ্যা যেত অজানা উৎসুকে
হারিয়ে গেছে ধোঁকা দিয়ে মধুর সেদিন সেই;
সেই তুমি আর নেই যে এখন, সেই তুমি আর নেই!
পুরোনো সব স্মৃতিরা দেয় বুকের ভেতর নাড়া
বিকেল বেলা মেঠো পথে গিয়েছি গাঁও পাড়া
মধ্যিপথে বলতে কথা অভিমানের সুরে
গাঁয়ের পথে মধুর হাঁটা রূপোলি রোদ্দুরে
কোন ফাঁকে সব হারিয়ে গেল আমার অজান্তেই;
সেই তুমি আর নেই যে এখন, সেই তুমি আর নেই!
তোমার হাতের পরশমাখা অনেক কিছুই আছে
খুঁজলে ঠিকই পাওয়া যাবে সেসব আমার কাছে
স্বপ্নে দেখি মায়াভরা তোমার মুখের ছবি
তাই প্রতিদিন ভাবুক মনে আমি যে হই কবি
আমিতো সেই আগের মতোই সেই আমি আর এই;
সেই তুমি আর নেই যে এখন, সেই তুমি আর নেই!
তোমার যত ভালোবাসা আদর স্নেহ মায়া
আমার ওপর ছিলো হয়ে সবুজ বটের ছায়া
সব কিছু যে ভেঙে নিলো সে কোন দানব ঝড়ে
থেকে থেকে সকাল বিকেলে শুধুই মনে পড়ে
সেসব কিছু ভাবতে গেলেই হারিয়ে ফেলি খেই;
সেই তুমি আর নেই যে এখন সেই তুমি আর নেই।
২৬.৫.২০০৯, ঝিনা, বাঘা, রাজশাহী।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন