আগেভাগেই ভেবেছিলাম খাতাপত্রের পড়ে থাকা কাজগুলো সারবো। দিনভর সেই কাজই করলাম। বাইরে একেবারেই যাইনি। যেদিন অবসর পাই, পড়ে থাকা কাজগুলো করি। তাই ছুটির দিনটা যে কীভাবে কেটে যায় তা টেরই পাইনে। জীবনের সব দিনও এভাবেই যেন পিছে ফেলে রাখছি। সে দিনগুলোই একই ভাবে হারিয়ে যাচ্ছে। আসলে এভাবেই আমরাও একদিন হারিয়ে যাবো। আমরা কে কখন শেষ বিদায় নিয়ে পৃথিবী ছেড়ে চলে যাই কেউই তা আঁচ করকতে পারি না। আজ যেমন বেঁচে আছি স্বাভাবিক, তেমনি আগামীকাল পৃথিবীতে থাকবো না এও খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। এসব মাথায় রেখে আমাদের কাজ করে যেতে হয়। দেখতে দেখতে স্বাভাবিক জীবনের অধিকাংশ সময়ই পার করে ফেললাম। আর কদিন কীভাবে যাবে সেটা আল্লাহই ভালো জানেন। এসব তাগিদ অনুভব করেই লেখাজোখার কাজ করি। আমার ছুটির দিনটা সেভাবেই কাটালাম।
একটা বিষয় নিয়ে খুব টেনশন করছিলাম। ছোটভাই ওহিদ আলীর চাকরির বিষয়ে চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু না, ক্ষমতাসিন দলের লোকজন সাংবাদিক দেখে ভয় পায়। তারা আমাদের চাকরি দিলেতো টাকা পাবে না, তাই ওখানে আমি পার পেলাম। বিষয়টি শেয়ার করার জন্য সন্ধ্যায় প্রেসক্লাবে চুয়াডাঙ্গায় গেলাম, ক্লাবের সভাপতি মানিক আকবর ও সাধারণ সম্পাদক মরিয়ম শেলীর সাথে আলোচনা করলাম। তারাও হতাশ করলেন। আমি যদি আহাদ আলী মোল্লা না হয়ে গ্রামের একজন সাধারণ মানুষ হতাম তাহলে টাকার বিনিময়ে চাকরিটা হতো। কানে কানে শুনেছি, সামান্য অফিস সহকারী পদে চাকরি নিতে ৪ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। ঘৃণা জানানো ছাড়া কোনো উপায় নেই।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন