শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২


অতিথির আসনে সালাউদ্দীন কাজল, শাপলা রহমান, শাহ আলম সনি ও আমি


আমাদের গ্রামের মেয়ে এবং আমার স্কুলের প্রাক্তন ছাত্রী রেবেকা সুলতানা নাসিং-এ ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। আজ স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর ওর চূড়ান্ত ভর্তি। সকালে আমার মোবাইলফোন বন্ধ থাকার কারণে ফরিদার কাছে ফোন করেছিল চুয়াডাঙ্গা এনটিসিতে যাওয়ার জন্য। ফরিদাকে সাথে নিয়ে সকাল ১০টায় এনটিসিতে গেলাম। রেবেকাকে ভর্তির ব্যাপারে প্রয়োজনীয় কাজ সেরে একটি কর্মশালায় যোগ দিলাম। সংবাদ পরিবেশনের মধ্যদিয়ে অন্যের অধিকার যাতে ক্ষুণ্ণ না হয় সেদিকে বিশেষ যত্মবান হওয়ার আহ্বান জানিয়ে দিনব্যাপি সংবাদিকদের প্রশিক্ষণ দেয় বাংলাদেশ মানবাধিকার সাংবাদিক ফোরামসকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা তথ্য অফিসার মশিউর রহমান। এনজিও ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তায় দৈনিক মাথাভাঙ্গা পত্রিকার ২০ জন সাংবাদিক নিয়ে বিএমএসএফর চুয়াডাঙ্গা কার্যালয়ে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, মিডিয়া সমাজের অগ্রণী ভূমিকা পালন করেসংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে অনেকের মানবাধিকার খর্ব হয় মানবাধিকার বিষয়ে প্রশিক্ষণ অবশ্যই সাংবাদিকদের জন্য প্রয়োজনবিশেষ অতিথি আমি ও বিশিষ্ট আইনজীবী বেলাল হোসেন উপস্থিত ছিলেনসভাপতিত্ব করেন বিএমএসএফর নির্বাহী পরিচালক খাইরুজ্জামান কামালস্বাগত বক্তব্য রাখেন- বিএমএসএফর যশোর সমন্বয়কারী শাপলা রহমান অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিএমএসএফর সমন্বয়কারী আলমগীর কবিরকর্মশলায় নারী ও শিশু অধিকার সনদ নিয়ে আলোচনা করা হয়অনুষ্ঠানের সভাপতি বলেন দৈনিক মাথাভাঙ্গার মতো আঞ্চলিক জনপ্রিয় পত্রিকার ২০জন সাংবাদিককে সাথে নিয়ে মানবাধিকার বিষয়ে আলোচনা করতে পেরে আমরা খুশি
 ৯ ফেব্রুয়ারি জন্মের পরপরই সুমির মোবাইলে তোলা ছবি, ১১ ফেব্রুয়ারি আমি সংগ্রহ করি
কর্মশালা শেষ করে বাসায় ফিরলাম ঠিক বেলা আড়াইটায়। বাসায় ঢোকার আগেই সহধর্মিণী ফরিদা ওপরতলা থেকে আমাকে ইঙ্গিত করে বললো- তোমাদের ছেলে হয়েছে। আমার আর বুঝতে বাকি থাকলো না। আমি মিষ্টি করে হেসে পড়লাম আলহামদুলিল্লাহ। শুনে খুবই খুশি হলাম। মানে আমার ছোটভাই ডা. সৈয়দ আলী আহসানের ছেলে হয়েছে। তার স্ত্রী ডা. রাবেয়া খাতুন রিমাকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সকাল ১১টায় ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে  তাদের পুত্র সন্তান হয়। এর আগে তাদের একটি মেয়ে আছে।  মেয়ের নাম সামিহা। ওর বয়স দু বছর। এ জন্য খুশির ব্যাপার যে, এই পুত্র সন্তানের মাধ্যমে আমাদের ৪ ভাইয়ের প্রত্যেকের একটি করে পুত্র ও একটি করে কন্যা সন্তান হলো। বিকেলে বাসায় বিশ্রাম নিয়ে সন্ধ্যায় জেগে ল্যাপটপ নিয়ে বসলাম। আজ মাথাভাঙ্গা অফিসে না গিয়ে লেখালেখির কিছু পড়ে থাকা কাজ সারলাম। কাজ করলাম রাত ৩টা পর্যন্ত।





কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন