দীর্ঘ ১০-১২ বছর ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হচ্ছে না। স্বীকৃতি পাওয়ার পরও বছরের পর বছর এ অবস্থায় পড়ে থাকার কারণে শিক্ষক-কর্মচারীরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। সরকারের যেন এদিকে কোনো কেয়ার নেই। সব কিছু ভুলে যাচ্ছে সরকার। তারা নিজেদের হিসাব নিকাশ নিয়েই যেন ব্যস্ত। শিক্ষকেরা জাতি গঠনের কারিগর। আর তাদের কথা কেউই ভাবছে না। প্রতীক্ষার পর অবশেষে তারা আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। আজ কর্মসূচির অংশ হিসেবে চুয়াডাঙ্গা শহরে বিক্ষোভ মিছিল শেষে নন এমপিও বেসরকারি শিক্ষক পরিষদ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ করবে। আমি শিক্ষকদের মধ্যে একজন। আমার স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারীরাও এ আন্দোলনে অংশ নেবেন। সকাল ১০টা থেকে চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের নিকটবর্তী ইউসিসি কোচিং সেন্টার চত্বরে শিক্ষকেরা সমবেত হতে থাকেন। বেলা ১১টার দিকে কবরী রোড হয়ে জেলা শহর প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কাছে গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসক ভোলা নাথ দের হাতে স্মারকলিপিটি তুলে দেন শিক্ষক নেতৃবৃন্দ। আমিও ছিলাম। পরে যে স্থান থেকে মিছিলটি শুরু হয়েছিল সেখানে গিয়ে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষক নেতৃবৃন্দ সেখানে বক্তৃতা করেন।
আমার স্কুলের কম্পিউটার শিক্ষক জেসমিন আরা বিদ্যালয়ের সব শিক্ষক-কর্মচারীকে দুপুরের খাওয়ার জন্য দাওয়াত করেছেন। আমরা সবাই সেখানে গেলাম বেলা আড়াইটার দিকে। খাওয়া দাওয়া শেষে ফিরে এলাম। হেলাল ভাইয়ের সাথে চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সামনে গিয়ে দাঁড়াতেই হেলাল ভাইয়ের আত্মীয় বর্ষার সাথে দেখা হলো। পরিচয় হলো আমার সাথে। পরে বাসায় ফিরে ঘুমিয়ে গেলাম। সন্ধ্যার পর মাথাভাঙ্গা অফিসে গিয়ে শুরু করি লেখালেখি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন