আজ এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। আমার স্কুলের ৫৭ জন এ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। বাইরে যাওয়ার ইচ্ছে ছিল না। যেহেতু স্কুলে ধর্মঘট চলছে, তাই মনে করেছিলাম বাসায় বসে লেখালেখি করবো; কিন্তু তা হলো না। আমার প্রাক্তন এক ছাত্র ফোন দিলো তার বোন রেবেকা সুলতানা নার্সিং ভর্তি হবে, তাই চুয়াডাঙ্গা এনটিসিতে ওর কাজ। ও আসতে চায়। ওর বড় বোন রেবেকা সুলতানাও আমার প্রাক্তন ছাত্রী। বেলা ১০টার দিকে ওরা ভাই-বোন এলো চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের কাছে। ওদের নিয়ে গেলাম এনটিসিতে। রেবেকা সুলতানার ভর্তির প্রয়োজনীয় কাজ সারতেই সাংবাদিক বিপুল আশরাফ ও আরিফুল ইসলাম ডালিম হাজির হলেন সেখানে। ওরা আমার সাক্ষাৎকার নিতে চায় স্কুলের ধর্মঘটের বিষয়ে। ওদের নিয়ে আল হেলাল নিম্ন মাধ্যমিক একাডেমীতে গেলাম। ভিডিও ফুটেজ নিলেন। আমার সাক্ষাৎকারটি টিভিতি প্রচারিত হয়েছে। ওখান থেকে ফিরে বন্ধুবর তৌহিদ হোসেন তোতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এলাম। সেখানে দুই বন্ধুর সাথে আড্ডা দিলাম। বেলা ৩টার দিকে বাসায় ফিরলাম। দেখলাম বাসার সবাই চলে এসেছে। মা ও সোজি ঝিনাইদহের মহেশপুরে সৈয়দ আলীর বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলো। দুপুরের খাবার খাওয়ার সময় মা জানালেন ছোটভাই নুর আলীর পায়ে বিড়ালে কামড়ে দিয়েছে। সে প্রায় দু মাস আগের ব্যাপার। মা আমাকে জানাননি। বিষয়টি শুনে একটু রাগ করলাম। মা কেন জানাননি? না জানানো একটা অজ্ঞতা। কারণ এ থেকে জলাতঙ্ক রোগ হতে পারে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন