০২ মার্চ ২০১২
১৯ ফাল্গুন ১৪১৮
০৮ রবিউস সানি ১৪৩৩
রোজ : শুক্রবার।
আমার একমাত্র খালা টায়রা। ছোট খালা। বিয়ে হয়েছে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কবিখালী গ্রামে। খালার একমাত্র ছেলে হাসিবুল। হাসিবুলের একমাত্র ছেলের মুসলমানি আজ। ওখানে সপরিবারে দাওয়াত আমাদের। মা-ও আসবেন ওখানে। তাছাড়া ছোটখালা কদিন আগে আমাকে বলে গিয়েছেন আমি যেন অবশ্যই যাই। বেশক’টি দাওয়াত ছিল আজ। বিশেষ করে দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গা সাহিত্য সংসদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি করা হয়েছিল আমাকে। প্রধান অতিথি দৈনিক মাথাভাঙ্গার সম্পাদক সরদার আল আমিন। যেহেতু খালার বাড়িতে যেতে হবে তাই অন্যান্য অনুষ্ঠানে যাবো না বলেই জানিয়ে দিলাম। বেলা ১০টার মধ্যেই কবিখালী গ্রামে রওনা হবো ভেবেছিলাম। কিন্তু হলো না বেরুতে বেরুতে বেলা ১২টা। চুয়াডাঙ্গা থেকে কবিখালীর দূরত্ব ৮ কিলোমিটার। আমরা মোটরসাইকেলযোগে রওনা দিলাম। ওখানকার অনুষ্ঠান শেষ হলো বেলা ৩টার দিকে। মায়ের কাছে শুনলাম গত বুধবার আমাদের গ্রামের রহম আলীর ছোট ছেলে মহিদ মারা গেছে। ও আমাদের অনেক ছোট। ছেলেটার ভদ্রতা আমাকে আকর্ষণ করতো। কবিখালীর অনুষ্ঠান শেষ করে ফিরে এলাম চুয়াডাঙ্গায়। বাসায় কয়েক মিনিট সময় কাটিয়ে গেলাম জেলা লেখক সংঘের সাপ্তাহিক সাহিত্য আসর অনুষ্ঠানে। চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবে এ সাহিত্য আসর অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সংঘের সভাপতি ইকবাল আতাহার তাজ। এখানে সমালোচকের আসনে বসে আমাকে লেখার ওপর আলোচনা করতে হয়। আমি স্বরচিত একটি ছড়াও আবৃত্তি করে শোনাই। পরে সন্ধ্যায় যাই চুয়াডাঙ্গা সাহিত্য পরিষদের সাপ্তাহিক সাহিত্য আসর পদধ্বনি অনুষ্ঠানে। ওখানেও একই দায়িত্ব পালন করি। সাহিত্য পরিষদ থেকে বাসায় ফিরে এবার যাই মাথাভাঙ্গা অফিসে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন