২৬ মার্চ ২০১২
১২ চৈত্র ১৪১৮
০২ জমাদিউল আওয়াল ১৪৩৩
রোজ : সোমবার।
স্বাধীনতা দিবসে আমার ঘুম ভাঙার আগেই ছেলে-মেয়ে তৈরি মাঠে যাওয়ার জন্য। সাথে যাচ্ছে স্ত্রী ফরিদা খাতুন। ওদের ডাকেই সকালে আমার ঘুম ভাঙলো। বেশ ভালো লাগছিল ছেলে-মেয়েদের এ উদ্যোগ দেখে। ওরা কুচকাওয়াজে অংশ নিতে যাচ্ছে। মনে মনে খুব খুশি হচ্ছিলাম। স্বাধীনতা সম্পর্কে ওরা জানবে, বুঝবে এতো খুবই আনন্দের ব্যাপার।
সকাল ৯টার দিকে আমি তৈরি হয়ে নিলাম স্কুলে যাওয়ার জন্য। স্কুলে যাওয়ার আগে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার জন্য কেনা পুরস্কারগুলো নিয়ে গেলাম। বেলা সাড়ে ৯টার দিকে ছাত্র-ছাত্রীদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হলো। ঘণ্টা দেড়েক ধরে খেলা চললো। পরে বেলা ১২টার দিকে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী সারা হলো। পরে চুয়াডাঙ্গায় ফিরলাম। বাসায় ফিরে টিভি খুলে দেখলাম বাংলাদেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা আজ চুয়াডাঙ্গায়। ক্লান্তি লাগছিল খাওয়া দাওয়ার পরে। অভ্যাস অনুযায়ী ঘুমিয়ে নিলাম ঘণ্টা দুয়েক। সন্ধ্যার পর গেলাম মাথাভাঙ্গা অফিসে। স্বাধীনতা দিবসের পালিত কর্মসূচি নিয়ে যেসব সংবাদ এসেছে সেগুলো আমি সম্পাদনা করলাম। কাজ সারতে রাত ২টা বেজে গেল।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন