সোমবার, ২৬ মার্চ, ২০১২

২২ মার্চ ২০১২

২২ মার্চ ২০১২

০৮ চৈত্র ১৪১৮

২৮ রবিউস সানি ১৪৩৩

রোজ : বৃহস্পতিবার।

আজ এশিয়াকাপ ক্রিকেটের স্বপ্নের ফাইনালে লড়বে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের সাথে বিকেলে ঢাকার মিরপুর স্টেডিয়ামে এ খেলা অনুষ্ঠিত হবে। মনটা সকাল থেকেই চঞ্চল হয়ে আছে খেলাটি উপভোগ করার জন্য। আমার প্রিয় বাংলাদেশ দলকে নিয়ে আমার চোখেমুখে স্বপ্ন চকচক করছে। সকালে স্কুলে গিয়েও খেলার আলোচনা হলো। বর্তশান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ভারত ও সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে বাংলাদেশ ফাইনালে উঠেছে। তাই আমাদের বিশ্বাস আরেক সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তানও হটে যাবে বাংলাদেশের কাছে।  বেলা সাড়ে ১০টার দিকে আলমডাঙ্গায় গেলাম। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর আবেদন করলাম স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি গঠনের লক্ষ্যে প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগের জন্য। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আব্দুস সালামের স্বাক্ষর গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ওটি জমা দিলাম। আলমডাঙ্গা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে আজ ক্লাসটার ভিত্তিক মিটিং আছে। ওখানে গিয়ে উপজেলার সব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকেরা সমবেত হয়েছেন। মিটিঙের কার্যক্রম শেষ হলো বেলা দেড়টার দিকে। ওখানে খাওয়া দাওয়ার আয়োজন ছিল। খাওয়ার পর ফিরলাম চুয়াডাঙ্গায়। খেলা দেখতে শুরু করলাম। পাকিস্তান টসে জিতে ব্যাট করছে। পাকিস্তানের অবস্থা ভালো নয়। তারা ৯ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করলো ২৩৬ রান। বিশ্বাস জন্মালো আজ বাংলাদেশ জিতবে। প্রথম ইনিংস খেলা দেখে মাথাভাঙ্গা দপ্তরে গেলাম। সবাই মিলে খেলা দেখছি। মাথাভাঙ্গা অফিসে খাওয়া দাওয়ার আয়োজন হয়েছে। খেলা বাংলাদেশের পক্ষে। খেলা শেষ হলেই আমরা আনন্দসহকারে খাওয়া দাওয়া করবো। এক পর্যায়ে বাংলাদেশের জন্য খেলা একটু জটিল পর্যায়ে দাঁড়ালো। তবু জেতার মতো। শেষমেশ ১ বল বাকি। রান দরকার ৪টি। মাঠে টানটান উত্তেজনা। পাকিস্তানের পক্ষে শেষ বলটি ছুড়ে দেয়া হলো। আমাদের দুই খেলোয়াড় দুবার জায়গা বদল করলেন। দুই রানে পরাজয় বরণ করতে হলো আমাদের। এ কষ্ট কোথায় রাখি বলুন?

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন