সোমবার, ২৬ মার্চ, ২০১২

২০ মার্চ ২০১২

২০ মার্চ ২০১২

০৬ চৈত্র ১৪১৮

২৬ রবিউস সানি ১৪৩৩

রোজ : মঙ্গলবার

            বিদ্যালয়ের সব কিছুই আমার দায়িত্বে থাকে। সকালে ছেলেকে স্কুলে পৌঁছে দিয়ে নিজের নিজের প্রতিষ্ঠানে গেলাম। টিফিনের সময় একটি সংবাদের জন্য সরেজমিনে গেলাম। চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার খাদিমপুর ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামের মেয়ে হাজরাহাটির গৃহবধূ আসমিনাকে দেখতে গেলাম তার বাবার বাড়ি শিবপুরে। সে গত ১৬ মার্চ রাতে অগ্নিদগ্ধ হয়েছে। পুরো শরীর পুড়ে ক্ষতবিক্ষত। একেবারে দেখার মতো নেই। সে তার স্বামীর বাড়িতে অগ্নিদগ্ধ হওয়ার পর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে। সেখান থেকে তাকে রেফার করা হয় ঢাকায়। ঢাকা থেকে তাকে ফেরত দেয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা আশঙ্কা করেছেন আসমিনা বাঁচবে না। আমাদের গ্রামে আসমিনার মামা বাড়ি। তার বড় মামাকে সাথে নিয়েই শিবপুরে গেলাম। আসমিনার বিয়ের বয়স ৮ বছর পেরিয়ে গেলেও তার সন্তান হয়নি। এ জন্য সংসার থেকে নাকি তাকে নিঘৃত হতে হয়। এ কারণেই গায়ে কেরোসিন ঢেলে সে আত্মহত্যার চেষ্টা করে থাকতে পারে বলে সবাই ধারণা করলেও আসমিনা তা স্বীকার করছে না। সে বলছে বেকায়দায় তার গায়ে ল্যাম্প থেকে আগুন ধরে গিয়েছে। স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়িকে রক্ষা করার জন্যই সে আসল ঘটনা লুকিয়ে থাকতে পারে বলে অনেকের ধারণা হলেও আসমিনা মুখ খুলছে না। আসমিনার সাথে আমিও কথা বললাম। আমার কাছেও মনে হচ্ছে আসমিনা আসল ঘটনা লুকোচ্ছে। কিন্তু কিছুতো করার নেই। ওখান থেকে ফিরে গেলাম আমার গ্রামে অবস্থিত খুদিয়াখালী আবাসনে। সেখান থেকে কাজের জন্য একটি মেয়েকে নিয়ে এলাম বাসায়। ওর নাম রিক্তা খাতুন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন