শনিবার, ৭ এপ্রিল, ২০১২

২৮ মার্চ ২০১২

২৮ মার্চ ২০১২

১৪ চৈত্র ১৪১৮

০৪ জমাদিউল আওয়াল ১৪৩৩

রোজ : বুধবার।

            এক আত্মীয় আগেভাগেই তাগিদ দিয়ে রেখেছিল আদালতে যাওয়ার জন্য। মামলা মোকদ্দমার একটি ঝামেলার কারণে আমাকে বারবার স্মরণ করছে আমি যেন গিয়ে মামলার দায়িত্বে নিয়োজিত কৌঁসুলির সাথে আলাপ করে আসি। সকালে নাস্তাপানি সেরে চুয়াডাঙ্গা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে গিয়ে দেখা করি সংশ্লিষ্ট আইনজীবী অ্যাড. আহসান সাহেবের সাথে। উনি একজন বন্ধুপ্রিয় মানুষ। আমাকে দেখেই নানা আপ্যায়নের জোগাড়জান্তি শুরু করলেন। ওখান থেকে কাজ সেরে যথারীতি স্কুলে গেলাম। স্কুলে দায়িত্ব পালন শেষে সাময়িকভাবে প্রেসক্লাব চুয়াডাঙ্গায় অনুষ্ঠিত একটি সংবাদ সম্মেলনে যোগ দিলাম বেলা ১১টার দিকে। পরে আবারও এলাম আদালতে।
            প্রায় একযুগ ধরে দৈনিক মাথাভাঙ্গার পেস্টিং বিভাগের দায়িত্ব পালন করে আসছে লিলটন। পুরো নাম মো. আনারুল ইসলাম লিলটন। ওকে আমি ছোট ভাইয়ের মতো তুইতুকারি করে ডাকি। যেকোনো হুকুমহাকামে ওর ছোটার জুড়ি নেই। আজ ওর বিয়ে। চুয়াডাঙ্গা পৌর শহরের জিনতলা মল্লিকপাড়ায় ওর বিয়ে। বরযাত্রী জনাবিশেক মানুষ যাবে। সাথে দৈনিক মাথাভাঙ্গার সম্পাদক সরদার আল আমিন ও আমি আছি। বেলা দেড়টার দিকে আমি ও সরদার আল আমিন নিজের প্রাইভেটযোগে বর লিল্টনকে নিয়ে কনের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা জিনতলা মল্লিকপাড়ায় গেলাম। বর-কনের পরিচয় এখানে তুলে ধরলাম। দৈনিক মাথাভাঙ্গার পেস্টিং বিভাগের প্রধান মো. আনারুল ইসলাম লিলটনের শুভ বিবাহ অনুষ্ঠিত হয় চুয়াডাঙ্গা জিনতলা মল্লিকপাড়ার অন্তরা খাতুনের সাথে। চুয়াডাঙ্গা পৌর শহরের সাদেক আলী মল্লিকপাড়ার হাবিব রহমান ও সুফিয়া বেগমের কনিষ্ঠ পুত্র মো. আনারুল ইসলাম লিলটন দৈনিক মাথাভাঙ্গার পেস্টিং বিভাগের প্রধান। তার সাথে শুভ বিবাহ সম্পন্ন হয় চুয়াডাঙ্গা জিনতলা মল্লিকপাড়ার মৃত আব্দুর রহমান ও মোছা. শাম্মীমা বেগমের মেজ কন্যা মোছা. অন্তরা খাতুনের। বিকেলে আমরা নববধূকে নিয়ে চুয়াডাঙ্গা শহর ঘুরে লিলটনের বাড়িতে যাই। সন্ধ্যায় যথারীতি যাই দৈনিক মাথাভাঙ্গা অফিসে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন