মাঠে মাঠে লাথি খায় শত শত
পা’র
আহা দশা গোলগাল ফুটবলটার
পালানোর পথ নেই পথ খোঁজা
ভুল
শূন্যেও উঠে খায় হেডে হেডে
ঠুল।
সেরা সব খেলোয়াড় রস ভাঙে
পা’র
ফুটবল বেচারার নাহি
নিস্তার
ফাউলের জের ধরে ফের কড়া
কিক
বাহুবলে ফুটবল খুবই
নির্ভীক।
রেফারির বাঁশি পড়ে নিমেষের
ছাড়
বল নিয়ে ছুটে যায় ফের
খেলোয়াড়
মহা ফেরে পড়ে বল কী কপাল
দোষে
পৃথিবীর সেরা লাথি খায় কষে
কষে।
চিনচিন করে বুক তবু নেই
মাফ
লাথি আর লাথি শুধু ওরে বাপ
বাপ
শেষমেশ বল যেই ঢুকে যায়
বারে
দর্শক ফেটে পড়ে মহা
চিৎকারে।
২৬ জুন ১৯৯৮ খ্রি.
কৃষ্ণপুর, আলমডাঙ্গা,
চুয়াডাঙ্গা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন